বলিউড সুপারস্টার আমির খান পরবর্তী বড় ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন একেবারেই নতুন ধাঁচের চরিত্রে, এক ভয়ঙ্কর খুনি বা মার্ডারার ভূমিকায়। সিনেমার শিরোনাম হ্যাপি প্যাটেল: খতরনক জাসুস যেখানে আমিরের চরিত্রের নাম জিমি এবং এটি এক রহস্যময় ও থ্রিলিং গেমার।
এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সিনেমা জগতে উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণত পারিবারিক বা সামাজিক বার্তা কেন্দ্রিক গল্পে কাজ করা আমির এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন জায়গায় খেলেন বলে মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।
ছবিটির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন কমেডিয়ান ও অভিনেতা বীর দাস, যিনি প্রথমবারের মতো পরিচালনা করেন। তাঁর হাত ধরে পরিচালক হিসেবে বড় তারকাকে কাস্ট করা স্বয়ংসম্পূর্ণ চমক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বীর দাস ইতিমধ্যেই এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি প্রায় তিন বছর আগে এই চিত্রনাট্যটি আমিরের কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তখন সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজে নামেছি এবং আমিরের পারফরম্যান্স নিয়ে খুবই উত্তেজিত।
ছবির মাধ্যমে বীর দাস নিজেও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন, এমন গুঞ্জন রয়েছেএবং শুটিং ইতিমধ্যেই বিভিন্ন লোকেশনে শুরু হয়েছে। গল্পের মুখ্য কেন্দ্রে রয়েছে এক গোয়েন্দা, যে আরেক বিশাল ষড়যন্ত্রের গহ্বর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে এবং জিমি সেই ষড়যন্ত্রের মুখ্য চরিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণা প্রকাশের পর নেটিজেনদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে, অনেকে মন্তব্য করছেন, আমিরের এই নতুন পরীক্ষা বলিউডে নতুন সুরের ঝলক আনবে; আবার অনেকে মনে করেন, ‘লাল সিং চাড্ডা’–র পরিক্রমায় আমির সাবধানে এক্সপেরিমেন্ট করছেন এবং হিরো ইমেজের বাইরে নিজেকে প্রমাণ করতে চান।
প্রযোজনায় রয়েছেন আমির খান প্রোডাকশনস, এবং আগামীতে ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনক জাসুস’ বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা হিসেবে বড়পর্দায় মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছে। আমিরের গ্রে-শেড চরিত্র এবং বীর দাসের পরিচালনায় এই নতুন যুগলবন্দী বক্স অফিসে কেমন সাড়া ফেলে, সেটাই এখন দর্শকদের চোখ রাখা।
এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সিনেমা জগতে উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণত পারিবারিক বা সামাজিক বার্তা কেন্দ্রিক গল্পে কাজ করা আমির এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন জায়গায় খেলেন বলে মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।
ছবিটির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন কমেডিয়ান ও অভিনেতা বীর দাস, যিনি প্রথমবারের মতো পরিচালনা করেন। তাঁর হাত ধরে পরিচালক হিসেবে বড় তারকাকে কাস্ট করা স্বয়ংসম্পূর্ণ চমক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বীর দাস ইতিমধ্যেই এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি প্রায় তিন বছর আগে এই চিত্রনাট্যটি আমিরের কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তখন সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজে নামেছি এবং আমিরের পারফরম্যান্স নিয়ে খুবই উত্তেজিত।
ছবির মাধ্যমে বীর দাস নিজেও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন, এমন গুঞ্জন রয়েছেএবং শুটিং ইতিমধ্যেই বিভিন্ন লোকেশনে শুরু হয়েছে। গল্পের মুখ্য কেন্দ্রে রয়েছে এক গোয়েন্দা, যে আরেক বিশাল ষড়যন্ত্রের গহ্বর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে এবং জিমি সেই ষড়যন্ত্রের মুখ্য চরিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণা প্রকাশের পর নেটিজেনদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে, অনেকে মন্তব্য করছেন, আমিরের এই নতুন পরীক্ষা বলিউডে নতুন সুরের ঝলক আনবে; আবার অনেকে মনে করেন, ‘লাল সিং চাড্ডা’–র পরিক্রমায় আমির সাবধানে এক্সপেরিমেন্ট করছেন এবং হিরো ইমেজের বাইরে নিজেকে প্রমাণ করতে চান।
প্রযোজনায় রয়েছেন আমির খান প্রোডাকশনস, এবং আগামীতে ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনক জাসুস’ বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা হিসেবে বড়পর্দায় মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছে। আমিরের গ্রে-শেড চরিত্র এবং বীর দাসের পরিচালনায় এই নতুন যুগলবন্দী বক্স অফিসে কেমন সাড়া ফেলে, সেটাই এখন দর্শকদের চোখ রাখা।