বরগুনা জেলা কারাগারে কর্মরত এক সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে পাখি শিকারের অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, কারা কর্তৃপক্ষের অগোচরে তারা প্রকাশ্যে পাখি শিকার করে কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলা কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং কারারক্ষী নং ৪১৮১৬ মো. হাফিজুর রহমান ও কারারক্ষী নং ০৫১১৩ গত (২৯ ডিসেম্বর) ভোরবেলায় বরগুনা পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে পাখি শিকার করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত এয়ারগান ব্যবহার করে এ শিকার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শিকারকালে ঘটনাটি সাংবাদিকদের নজরে এলে ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে জেলা কারাগার ও কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
এ ঘটনায় কারা বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বরগুনাকে অবহিত করা হয়েছে।
এছাড়া সদয় জ্ঞাতার্থে সহকারী বন সংরক্ষক, বরগুনাকেও অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে, কারা কর্তৃপক্ষের অগোচরে তারা প্রকাশ্যে পাখি শিকার করে কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলা কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং কারারক্ষী নং ৪১৮১৬ মো. হাফিজুর রহমান ও কারারক্ষী নং ০৫১১৩ গত (২৯ ডিসেম্বর) ভোরবেলায় বরগুনা পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে পাখি শিকার করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত এয়ারগান ব্যবহার করে এ শিকার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শিকারকালে ঘটনাটি সাংবাদিকদের নজরে এলে ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে জেলা কারাগার ও কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
এ ঘটনায় কারা বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বরগুনাকে অবহিত করা হয়েছে।
এছাড়া সদয় জ্ঞাতার্থে সহকারী বন সংরক্ষক, বরগুনাকেও অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।