রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল সদৃশ ফায়ার লাইটার, একটি পিস্তল কভার ও একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানার দায়রাপার্ক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃৃতরা হলো মোঃ আবির হোসেন (২৯), সে নগরীর বোয়ালিয়া থানার মেহেরচণ্ডি পূর্বপাড়া এলাকার মোঃ আবুল কালামের ছেলে ও মোঃ রাজন আলী (২৮), সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডি মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
বুধবার রাত ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মতিহার থানার খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় চারজন ব্যক্তি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণীত স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেন, পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাক আহম্মেদের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেপকৃতদের অপর দুই সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে অস্ত্রসদৃশ সামগ্রী ও চাকু উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো।
এ ব্যপারে বিরুদ্ধে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্দে মতিহার থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
বুধবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানার দায়রাপার্ক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃৃতরা হলো মোঃ আবির হোসেন (২৯), সে নগরীর বোয়ালিয়া থানার মেহেরচণ্ডি পূর্বপাড়া এলাকার মোঃ আবুল কালামের ছেলে ও মোঃ রাজন আলী (২৮), সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডি মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
বুধবার রাত ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মতিহার থানার খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় চারজন ব্যক্তি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণীত স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেন, পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাক আহম্মেদের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেপকৃতদের অপর দুই সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে অস্ত্রসদৃশ সামগ্রী ও চাকু উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলো।
এ ব্যপারে বিরুদ্ধে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্দে মতিহার থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
বুধবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র।