শিক্ষার্থীদের মাঝে পিনপতন নীরবতা। চোখে মুখে আগ্রহ আর মনে কৌতূহল। কার নাম যে প্রথমে ঘোষণা হয়! মাইকে মেহেজাবীন তাবাসসুমের নাম ঘোষণা হলে মুখে মিটমিটে হাসি দেখা গেল। সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এই অর্জনে উপহার স্বরূপ একটা বই পেয়ে আনন্দটা আরও বেড়ে গেল এই ক্ষুদে শিক্ষার্থীর।
এমনি আনন্দ আয়োজন হয়েছিল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার নিয়ামতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে
বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের হাতে বই উপহার দেওয়া হয়।
ফলাফল প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাডওয়ার্ড বিনত সরেন ও শফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এই আয়োজনের অংশ হয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীদের বই উপহার দেওয়া একটি ভালো উদ্যােগ বলে মনে করেন বিনত সরেন। তিনি বলেন, এই উপহার স্বরূপ দেওয়া অভিধান শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশে সহায়ক হবে। এটা পাঠ করলে তাঁদের শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পাবে। এইরকম উদ্যােগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়তে উৎসাহী হবে।
আর বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বললেন, বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের বই উপহার দেওয়া হয়েছে। পাঁচ শ্রেণিতে ১৫জন শিক্ষার্থীর হাতে এ উপহার দেওয়া হয়। তিনি আরও বললেন, এই উপহার শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে। অন্য শিক্ষার্থীরাও ভালো ফলাফল করার জন্য অনুপ্রাণিত হবে। বই পাঠের মাধ্যমে তাঁরা ভালো মানুষ হবে। আগামীতে এই উপহারের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পঞ্চম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া মনিরা খাতুন বই উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি। অভিধান থেকে প্রতিদিন একটি করে নতুন শব্দ শিখবে বলে জানালো। মেয়ের মেহেজাবীন তাবাসসুমের ভালো ফলাফলে খুশি অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম। বই উপহার দেওয়ার উদ্যােগকে স্বাগত জানিয়ে বললেন, 'আমি মনে শিশুদেরকে বই উপহার হিসেবে দেওয়া একটি চমৎকার উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের। এর মাধ্যমে তাদের মনন বিকাশে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।'
নিয়ামতপুর সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বললেন, পড়ার কোনো বিকল্প নাই। এই পড়ার একটা ভালো মাধ্যম হলো বই। বই পড়ে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই একটি দেশ, একটি জাতি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তাই পুরস্কার-উপহার হিসেবে বই দেওয়া অবশ্যই ভালো উদ্যােগ।
এমনি আনন্দ আয়োজন হয়েছিল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার নিয়ামতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে
বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের হাতে বই উপহার দেওয়া হয়।
ফলাফল প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাডওয়ার্ড বিনত সরেন ও শফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এই আয়োজনের অংশ হয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীদের বই উপহার দেওয়া একটি ভালো উদ্যােগ বলে মনে করেন বিনত সরেন। তিনি বলেন, এই উপহার স্বরূপ দেওয়া অভিধান শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশে সহায়ক হবে। এটা পাঠ করলে তাঁদের শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পাবে। এইরকম উদ্যােগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়তে উৎসাহী হবে।
আর বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বললেন, বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের বই উপহার দেওয়া হয়েছে। পাঁচ শ্রেণিতে ১৫জন শিক্ষার্থীর হাতে এ উপহার দেওয়া হয়। তিনি আরও বললেন, এই উপহার শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে। অন্য শিক্ষার্থীরাও ভালো ফলাফল করার জন্য অনুপ্রাণিত হবে। বই পাঠের মাধ্যমে তাঁরা ভালো মানুষ হবে। আগামীতে এই উপহারের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পঞ্চম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া মনিরা খাতুন বই উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি। অভিধান থেকে প্রতিদিন একটি করে নতুন শব্দ শিখবে বলে জানালো। মেয়ের মেহেজাবীন তাবাসসুমের ভালো ফলাফলে খুশি অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম। বই উপহার দেওয়ার উদ্যােগকে স্বাগত জানিয়ে বললেন, 'আমি মনে শিশুদেরকে বই উপহার হিসেবে দেওয়া একটি চমৎকার উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের। এর মাধ্যমে তাদের মনন বিকাশে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।'
নিয়ামতপুর সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বললেন, পড়ার কোনো বিকল্প নাই। এই পড়ার একটা ভালো মাধ্যম হলো বই। বই পড়ে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই একটি দেশ, একটি জাতি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তাই পুরস্কার-উপহার হিসেবে বই দেওয়া অবশ্যই ভালো উদ্যােগ।