রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নাচোলে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়া ভাইকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকায় রফাদফায় ছাড়িয়ে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক ভাই।এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বইছে মুখরোচক নানা গুঞ্জন জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয়রা রফাদফাকারি প্রধান শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের (ইউপি) বড় বাকইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন রাতে মুদি দোকানি আব্দুল করিম জনৈক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার ঘরে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় গ্রামবাসীর হাতে নাতে ধরা পড়েন।
এসময় গ্রামবাসি তাদের দুজনকেই পিট মোড়া দিয়ে বেঁধে পুলিশে খবর দেন। কিন্ত্ত অভিযুক্তের ভাই, হাট বাকইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী মোস্তাফিজুর রহমান খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তিনি স্থানীয় নেতাদের নিয়ে মধ্যরাতে সালিশ বসান। সালিশে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানার বিনিময়ে আব্দুল করিমকে ছাড়িয়ে নেয়। তবে গ্রামবাসি করিমের শাস্তির দাবিতে সেখানে নানা স্লোগান দিতে থাকে।কিন্ত্ত প্রভাবশালী মোস্তাফিজুর তাদের বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন।
এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টাকা দিয়ে অপরাধ ধাঁমাচাঁপা দেওয়ার এই বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এবিষয়ে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আছলাম আলী জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু ওই নারী অভিযোগ না করায় কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল গ্রহণ করেননি,এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া দেননি।#
গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের (ইউপি) বড় বাকইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন রাতে মুদি দোকানি আব্দুল করিম জনৈক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার ঘরে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় গ্রামবাসীর হাতে নাতে ধরা পড়েন।
এসময় গ্রামবাসি তাদের দুজনকেই পিট মোড়া দিয়ে বেঁধে পুলিশে খবর দেন। কিন্ত্ত অভিযুক্তের ভাই, হাট বাকইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী মোস্তাফিজুর রহমান খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তিনি স্থানীয় নেতাদের নিয়ে মধ্যরাতে সালিশ বসান। সালিশে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানার বিনিময়ে আব্দুল করিমকে ছাড়িয়ে নেয়। তবে গ্রামবাসি করিমের শাস্তির দাবিতে সেখানে নানা স্লোগান দিতে থাকে।কিন্ত্ত প্রভাবশালী মোস্তাফিজুর তাদের বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন।
এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টাকা দিয়ে অপরাধ ধাঁমাচাঁপা দেওয়ার এই বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এবিষয়ে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আছলাম আলী জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু ওই নারী অভিযোগ না করায় কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল গ্রহণ করেননি,এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া দেননি।#