ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহর ও আশপাশের হোটেল মালিকদের সংগঠন ঘোষণা করেছে, তারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য হোটেল-আবাসন বন্ধ করে দেবে। এই সিদ্ধান্তে পর্যটক, চিকিৎসা ও শিক্ষার্থীদের লাইসেন্সধারী নাগরিক সকলেই অন্তর্ভুক্ত হবেন, এমনকী চিকিৎসা ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আসা ব্যক্তিরাও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সংগঠন Greater Siliguri Hoteliers Welfare Association-এর যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশক্তি এবং কিছু নেতার ভারতবিরোধী মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘোষ আরও বলেন, গত বছর এখানকার কিছু সদস্য হোটেলে বাংলাদেশিদের থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কিন্তু মানবিক কারণে স্টুডেন্ট ও চিকিৎসা ভিসার জন্য কিছু ছাড় ছিল। বর্তমানে সেই ছাড়ও বাতিল করা হয়েছে।
সংগঠনের আওতায় প্রায় ১৮০টি হোটেল আছে এবং তারা এই সিদ্ধান্ত মানছে বলে সংগঠন জানায়। এছাড়া সংগঠনের সদস্য না হওয়া আরও প্রায় ৫০টি হোটেল স্বেচ্ছায় একই সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে।
পাশাপাশি মালদা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে প্রবেশ বন্ধ করার বিষয়ে বৈঠক করার কথা জানিয়েছে, আর কিছু হোটেলে ইতোমধ্যেই এই নীতি কার্যকর হয়েছে। মালদা-ভিত্তিক রিপোর্ট মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশে ভিসা সেবা স্থগিত থাকার কারণে মালদায় হোটেল মালিকরা বাংলাদেশিদের হোটেল এই ভিসাগুলো নিয়েও হানাদার প্রবেশে সীমা রেখেছেন।
শিলিগুড়ি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি পর্যটক, চিকিৎসা-ভিসাধারী রোগী ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ভ্রমণকারীর জন্য ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের তীব্রতায় এই ধরনের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় সংগঠন Greater Siliguri Hoteliers Welfare Association-এর যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশক্তি এবং কিছু নেতার ভারতবিরোধী মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘোষ আরও বলেন, গত বছর এখানকার কিছু সদস্য হোটেলে বাংলাদেশিদের থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কিন্তু মানবিক কারণে স্টুডেন্ট ও চিকিৎসা ভিসার জন্য কিছু ছাড় ছিল। বর্তমানে সেই ছাড়ও বাতিল করা হয়েছে।
সংগঠনের আওতায় প্রায় ১৮০টি হোটেল আছে এবং তারা এই সিদ্ধান্ত মানছে বলে সংগঠন জানায়। এছাড়া সংগঠনের সদস্য না হওয়া আরও প্রায় ৫০টি হোটেল স্বেচ্ছায় একই সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে।
পাশাপাশি মালদা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে প্রবেশ বন্ধ করার বিষয়ে বৈঠক করার কথা জানিয়েছে, আর কিছু হোটেলে ইতোমধ্যেই এই নীতি কার্যকর হয়েছে। মালদা-ভিত্তিক রিপোর্ট মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশে ভিসা সেবা স্থগিত থাকার কারণে মালদায় হোটেল মালিকরা বাংলাদেশিদের হোটেল এই ভিসাগুলো নিয়েও হানাদার প্রবেশে সীমা রেখেছেন।
শিলিগুড়ি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি পর্যটক, চিকিৎসা-ভিসাধারী রোগী ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ভ্রমণকারীর জন্য ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের তীব্রতায় এই ধরনের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে দেখছেন বিশ্লেষকরা।