চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার চাঞ্চল্যকর ইসমাঈল হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি প্রান্ত দাশকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে আকবর শাহ থানা এলাকার সিটি গেট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি প্রান্ত দাশ (২৪) চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নিহত মো. ইসমাঈল কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার বাসিন্দা। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন এবং জীবিকার তাগিদে পরিবারসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর হালিশহর এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক চারটার দিকে তিনি হালিশহর থানাধীন বারুণীঘাট এলাকায় ‘মা কর্পোরেশন’ নামীয় একটি বেকু গ্যারেজে গেলে সেখানে উপস্থিত প্রান্ত দাশ ও তার সহযোগীরা তাকে চোর সন্দেহে আটক করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা ইসমাঈলকে গ্যারেজের ভেতরে রশি দিয়ে বেঁধে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে গ্যারেজ মালিক সাহাবুদ্দিনের উদ্যোগে এবং পরিবারের সহায়তায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. কাঞ্চন বাদী হয়ে ২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে হালিশহর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ একজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয় (মামলা নং-০২)।
র্যাব-৭ জানায়, ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রান্ত দাশকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি প্রান্ত দাশ (২৪) চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নিহত মো. ইসমাঈল কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার বাসিন্দা। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন এবং জীবিকার তাগিদে পরিবারসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর হালিশহর এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক চারটার দিকে তিনি হালিশহর থানাধীন বারুণীঘাট এলাকায় ‘মা কর্পোরেশন’ নামীয় একটি বেকু গ্যারেজে গেলে সেখানে উপস্থিত প্রান্ত দাশ ও তার সহযোগীরা তাকে চোর সন্দেহে আটক করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা ইসমাঈলকে গ্যারেজের ভেতরে রশি দিয়ে বেঁধে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে গ্যারেজ মালিক সাহাবুদ্দিনের উদ্যোগে এবং পরিবারের সহায়তায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. কাঞ্চন বাদী হয়ে ২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে হালিশহর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ একজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয় (মামলা নং-০২)।
র্যাব-৭ জানায়, ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রান্ত দাশকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।