চট্টগ্রাম মহানগরীর চাঁদগাঁও থানার চাঞ্চল্যকর ইমন দাশ হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি নয়ন মহাজন এবং তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি হলেন মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন।
র্যাব-৭ জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে পৃথক অভিযানে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
নিহত ইমন দাশ (পিতা:সাগর দাশ) চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার বাসিন্দা হলেও পরিবারসহ চাঁদগাঁও থানাধীন এলাকায় বসবাস করতেন।
র্যাবের তথ্যমতে, গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে পূজার ফুল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজার সেনবাড়ি এলাকায় গেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে নয়ন মহাজন ও তার সহযোগীরা ইমন দাশের পথরোধ করে। এ সময় তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, চাকু ও রামদা দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় ইমন দাশকে উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সাগর দাশ বাদী হয়ে চাঁদগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনকে এজাহারনামীয় এবং দুই থেকে তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলা নম্বর-০৪ (তারিখ: ৩ ডিসেম্বর ২০২৫); ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬, সংযুক্ত ৩০২ (পেনাল কোড ১৮৬০)।
র্যাব-৭ জানায়, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটে হাটহাজারী থানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি নয়ন মহাজনকে (২৯), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাউজান উপজেলার কলমপতি এলাকার দুলাল মহাজনের ছেলে।
পরবর্তীতে নয়ন মহাজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে হাটহাজারীর মদনহাট এলাকা থেকে মামলার পাঁচ নম্বর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিনকে (৩৫), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাউজান থানার ছত্রপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁদগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।
র্যাব-৭ জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে পৃথক অভিযানে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
নিহত ইমন দাশ (পিতা:সাগর দাশ) চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার বাসিন্দা হলেও পরিবারসহ চাঁদগাঁও থানাধীন এলাকায় বসবাস করতেন।
র্যাবের তথ্যমতে, গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে পূজার ফুল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজার সেনবাড়ি এলাকায় গেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে নয়ন মহাজন ও তার সহযোগীরা ইমন দাশের পথরোধ করে। এ সময় তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, চাকু ও রামদা দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় ইমন দাশকে উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সাগর দাশ বাদী হয়ে চাঁদগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনকে এজাহারনামীয় এবং দুই থেকে তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলা নম্বর-০৪ (তারিখ: ৩ ডিসেম্বর ২০২৫); ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬, সংযুক্ত ৩০২ (পেনাল কোড ১৮৬০)।
র্যাব-৭ জানায়, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটে হাটহাজারী থানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি নয়ন মহাজনকে (২৯), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাউজান উপজেলার কলমপতি এলাকার দুলাল মহাজনের ছেলে।
পরবর্তীতে নয়ন মহাজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে হাটহাজারীর মদনহাট এলাকা থেকে মামলার পাঁচ নম্বর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিনকে (৩৫), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাউজান থানার ছত্রপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁদগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।