তানোরে মুরগী বিহীন খামারে রমরমা সেচ বাণিজ্য!

আপলোড সময় : ২৪-১২-২০২৫ ০৪:২১:২৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-১২-২০২৫ ০৪:২১:২৬ অপরাহ্ন
রাজশাহীর তানোরে চলছে মুরগী বিহীন খামারের আড়ালে উচ্চহারে রমরমা সেচ বাণিজ্য। অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা হওয়ায় উপজেলার  বিস্তীর্ণ এলাকায় এসব কথিত খামার গড়ে উঠেছে। তবে এসব খামারে মুরগীর কোনো অস্থিত্ব নাই।

সরেজমিন উপজেলার প্রাণপুর, চিমনা, দুবইল, যোগীশো, আড়াদিঘী, আজিজপুর, কালনা, চিনাশো, কৃষ্ণপুর, মালবান্ধা, বলদিপুর, প্রকাশনগর কোয়েল, গাল্লাসহ বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, জনমানব শূণ্য বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের মধ্যে টিনের চালাতুলে অবৈধ মটর বসানো হয়েছে। আর এসব টিনের চালাকে মুরগী খামার দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সেই মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। এদিকে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে টাকা উসুল করতে তারা উচ্চহারে সেচ বাণিজ্য করছে। এরা নিজ নিজ এলাকায় ওয়াটার লর্ড বা জল জমিদার নামে পরিচিত। অন্যদিকে তাদের সেচ বাণিজ্যর কারণে বিএমডিএর গভীর নলকুপ সেচ প্রকল্প ও ভূগর্ভস্থ পানি সংরক্ষণ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীর নলকুপের স্কীমে এসব অবৈধ মটর থেকে সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে হামলা মামলা-পাল্টা মামলার ঘটনা ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, বিগত ২০১৪ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেন। পরিপত্রে বলা হয় বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির সংকট মোকাবেলায় সেচ মটর স্থাপন নিরুৎসাহিত (বন্ধ) করে তা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা সেচ কমিটিকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একশ্রেণীর কর্মকর্তা। আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে মুরগী খামারের নামে অবৈধ মটর বসাতে কৃষকদের উৎসাহ ও সংযোগ দিচ্ছেন।

সুত্র জানায়, মুরগী খামারে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গেলে তিনি কখানো কোনো অবস্থাতে কৃষি জমিতে সেচ দিবেন না বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে ৩০০ টাকা মূল্যর ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকার নামা দেবার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়াও সেই খামারে মুরগী পালন করা হয় কি না সেটা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার কথা বলা আছে। কিন্তু তানোরে এসব নিয়মনীতির মানা হচ্ছে না। 

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা মুরগী খামার দেখেই বিদ্যুৎ সংযোগ দেন। কিন্তু পরে তারা যদি সেচ বাণিজ্য করে তাহলে তাদের কাছে অভিযোগ করলে তারা ব্যবস্থা নিবেন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]