নোয়াখালীর হাতিয়া থানার আলোচিত দিনমজুর জাহেদ হোসেন হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহারাজ ওরফে পিচ্চি শাহারাজকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার মোজাফফর নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত শাহারাজ (৪০) হাতিয়া থানার মান্নান নগর এলাকার মানিক বেপারীর ছেলে এবং উক্ত হত্যা মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
নিহত জাহেদ হোসেন নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার বাসিন্দা ও পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। গত ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তিনি হাতিয়ার নলেরচর এলাকায় মো. সোহেলের বসতবাড়িতে দিনমজুরের কাজ শেষে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। ওই দিন রাতেই মো. সোহেল তার মোবাইল ফোনের চার্জার ও চাবি হারানোর অভিযোগ এনে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে জাহেদকে মান্নান নগর এলাকায় নিজের একটি অফিস কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং চুরির কথা স্বীকার না করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
পরদিন ৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে হাতিয়া থানাধীন মান্নান নগর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে জাহেদ হোসেনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় ১০ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি হাতিয়া থানার মামলা নম্বর-০৭, তারিখ ২ নভেম্বর ২০২৫; ধারাঃ ৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি, ১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, পলাতক শাহারাজ চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার মোজাফফর নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত শাহারাজ (৪০) হাতিয়া থানার মান্নান নগর এলাকার মানিক বেপারীর ছেলে এবং উক্ত হত্যা মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
নিহত জাহেদ হোসেন নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার বাসিন্দা ও পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। গত ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তিনি হাতিয়ার নলেরচর এলাকায় মো. সোহেলের বসতবাড়িতে দিনমজুরের কাজ শেষে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। ওই দিন রাতেই মো. সোহেল তার মোবাইল ফোনের চার্জার ও চাবি হারানোর অভিযোগ এনে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে জাহেদকে মান্নান নগর এলাকায় নিজের একটি অফিস কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং চুরির কথা স্বীকার না করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
পরদিন ৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে হাতিয়া থানাধীন মান্নান নগর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে জাহেদ হোসেনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় ১০ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি হাতিয়া থানার মামলা নম্বর-০৭, তারিখ ২ নভেম্বর ২০২৫; ধারাঃ ৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি, ১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, পলাতক শাহারাজ চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।