রাজশাহী নগরীতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযান অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২-এর অংশ হিসেবে নগরীতে অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযানে চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২-এ গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ নয়ন আলী (৩০), সে নগরীর রাজপাড়া থানার বসুয়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত মন্টু আলীর ছেলে এবং রাসিক ৬ নং ওয়ার্ডের বসুয়া গ্রামের যুবলীগ কর্মী, মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৬), সে শাহমখদুম থানার বড় বনগ্রাম কুচপাড়া এলাকার মোঃ শমসের আলীর ছেলে, আজিজুল ওরফে আইদুল (৫৩), সে মৃত সাইফুদ্দিনের ছেলে, একই এলাকার মোঃ গোলাম রসুল মৃত মমিন মণ্ডলের ছেলে, একই থানার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, সে মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং একই এলাকার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ জিয়াউর রহমান মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। মোঃ গোলাম রসুল, মো. শহিদুল ইসলাম ও মোঃ জিয়াউর রহমান সকলেই নগরীর কর্ণহার থানার বাতাস মোল্লা এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ক্রাইম এন্ড অপস), মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, বিস্ফোরণ ঘটানো ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানে এসব গুরুতর অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে আরও ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ৬ জন, মাদক মামলার আসামি ২জন এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত ৩ জন রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
সোমবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযানে চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২-এ গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ নয়ন আলী (৩০), সে নগরীর রাজপাড়া থানার বসুয়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত মন্টু আলীর ছেলে এবং রাসিক ৬ নং ওয়ার্ডের বসুয়া গ্রামের যুবলীগ কর্মী, মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৬), সে শাহমখদুম থানার বড় বনগ্রাম কুচপাড়া এলাকার মোঃ শমসের আলীর ছেলে, আজিজুল ওরফে আইদুল (৫৩), সে মৃত সাইফুদ্দিনের ছেলে, একই এলাকার মোঃ গোলাম রসুল মৃত মমিন মণ্ডলের ছেলে, একই থানার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, সে মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং একই এলাকার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ জিয়াউর রহমান মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। মোঃ গোলাম রসুল, মো. শহিদুল ইসলাম ও মোঃ জিয়াউর রহমান সকলেই নগরীর কর্ণহার থানার বাতাস মোল্লা এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ক্রাইম এন্ড অপস), মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, বিস্ফোরণ ঘটানো ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানে এসব গুরুতর অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে আরও ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ৬ জন, মাদক মামলার আসামি ২জন এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত ৩ জন রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
সোমবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।