ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মশাল মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতা। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র-জনতার ব্যানারে আয়োজিত মশাল মিছিলটি পৌর শহরের শিবদিঘী ‘জুলাই চত্বর’ এলাকা থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বন্দর চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মিছিলটি অবস্থান কর্মসূচিতে রূপ নেয়।এ সময় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা প্রায় আধা ঘণ্টা চৌরাস্তা মোড়ে সড়ক অবরোধ করে রাখেন।
মশাল মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ছাত্র সমন্বয়ক তারেক মাহমুদ, মো. আল হাবিব, মো. জসিম, তারেক মাহমুদ, জেলা ছাত্র শিবির নেতা সাব্বির হোসেন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক শাজাহান বিশ্বাস, যুগ্ম সমন্বয়ক মোকাররম হোসেন সাদ্দামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-জনতা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। বক্তারা আরও জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই মশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এসময় তারা পতিত সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন শ্লোগান দেন। পৌরশহরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়,পরদিন শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে গায়েবানা জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে নিহত শরীফ ওসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
মশাল মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ছাত্র সমন্বয়ক তারেক মাহমুদ, মো. আল হাবিব, মো. জসিম, তারেক মাহমুদ, জেলা ছাত্র শিবির নেতা সাব্বির হোসেন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক শাজাহান বিশ্বাস, যুগ্ম সমন্বয়ক মোকাররম হোসেন সাদ্দামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-জনতা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। বক্তারা আরও জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই মশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এসময় তারা পতিত সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন শ্লোগান দেন। পৌরশহরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়,পরদিন শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে গায়েবানা জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে নিহত শরীফ ওসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।