ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সার বিতরণকে কেন্দ্র করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অবশেষে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ৮ জনের নামে মামলা রুজু হয়েছে।
পাশাপাশি জেলা কৃষি অফিস ঘটনাটির তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) উপজেলার উমরাডাঙ্গী বাজারে সার ডিলার মল্লিক ট্রেডার্সের প্রতিনিধি মোজাম্মেল হোসেন কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করছিলেন। এ সময় ৩টি ভ্যানে করে ৫ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে অন্যান্য কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন দুপুরের খাবারের কথা বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এরপর গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ জানান। তিনি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আকতার হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছালে ক্ষুব্ধ জনতা আকতার হোসেনের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার সহকর্মীর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। চোখের সামনে একজন কর্মকর্তাকে মব তৈরি করে মেরে ফেলার চেষ্টা এ দৃশ্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং জেলা কৃষি অফিস তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শষ্য আলমগীর কবির জানান, তাকে প্রধান করে পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান এবং রাণীশংকৈল অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সাবের আলমকে সদস্য করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সরেজমিনে তদন্ত করছি। কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর গাফিলতি ছিল কি না, ঘটনাটি কীভাবে ঘটল—সব যাচাই করছি। দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করেছেন। পাশাপাশি ১০–১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, “তদন্ত চলছে, অভিযুক্তদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।”
পাশাপাশি জেলা কৃষি অফিস ঘটনাটির তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) উপজেলার উমরাডাঙ্গী বাজারে সার ডিলার মল্লিক ট্রেডার্সের প্রতিনিধি মোজাম্মেল হোসেন কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করছিলেন। এ সময় ৩টি ভ্যানে করে ৫ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে অন্যান্য কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন দুপুরের খাবারের কথা বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এরপর গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুর রশিদ মামুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ জানান। তিনি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আকতার হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছালে ক্ষুব্ধ জনতা আকতার হোসেনের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার সহকর্মীর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। চোখের সামনে একজন কর্মকর্তাকে মব তৈরি করে মেরে ফেলার চেষ্টা এ দৃশ্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং জেলা কৃষি অফিস তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শষ্য আলমগীর কবির জানান, তাকে প্রধান করে পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান এবং রাণীশংকৈল অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সাবের আলমকে সদস্য করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সরেজমিনে তদন্ত করছি। কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর গাফিলতি ছিল কি না, ঘটনাটি কীভাবে ঘটল—সব যাচাই করছি। দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকতার হোসেন বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করেছেন। পাশাপাশি ১০–১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, “তদন্ত চলছে, অভিযুক্তদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।”