রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) রেশন স্টোরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টেন্ডার সিডিউল বিক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, গড়িমসি ও ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বাঁধন অ্যান্ড বর্ন এন্টারপ্রাইজ’-এর কর্ণধার মো. বাদশা আলী রাজশাহী পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে বাদশা আলী উল্লেখ করেন, ৩০ নভেম্বর তিনি নিয়ম মেনে সিডিউল সংগ্রহের আবেদন করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আবেদন জমা দেওয়া হলেও রেশন স্টোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সিডিউল সরবরাহে গড়িমসি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, রেশন স্টোর অফিসের কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর প্রথমে তাঁকে মোবাইলে জানান যে সিডিউল বিক্রি চলবে ২ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত। কিন্তু পরে বলা হয়, সময়সীমা অতিক্রম হওয়ায় সিডিউল আর দেওয়া যাবে না। শুধু তিনিই নন, একইভাবে এশা এন্টারপ্রাইজ’-এর মো. কাজল হোসেনসহ আরও কয়েকজন ঠিকাদারও একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সিডিউল বিক্রয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে থাকেন না, এবং বিভিন্ন তালবাহানার মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ঠিকাদারদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে রেশন স্টোরের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বাদশা আলী তাঁর অভিযোগপত্রে ২ ডিসেম্বরের সিডিউল বিক্রি বাতিল, সিডিউল বিক্রির সময়সীমা পুনরায় বাড়ানো, এবং সব ঠিকাদারের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
বিষয়টি জানতে চাইলে আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান বলেন, অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সকল ঠিকাদারের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতেই আমরা কাজ করছি।
টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ ওঠায় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে; অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষায় সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বাঁধন অ্যান্ড বর্ন এন্টারপ্রাইজ’-এর কর্ণধার মো. বাদশা আলী রাজশাহী পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে বাদশা আলী উল্লেখ করেন, ৩০ নভেম্বর তিনি নিয়ম মেনে সিডিউল সংগ্রহের আবেদন করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আবেদন জমা দেওয়া হলেও রেশন স্টোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সিডিউল সরবরাহে গড়িমসি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, রেশন স্টোর অফিসের কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর প্রথমে তাঁকে মোবাইলে জানান যে সিডিউল বিক্রি চলবে ২ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত। কিন্তু পরে বলা হয়, সময়সীমা অতিক্রম হওয়ায় সিডিউল আর দেওয়া যাবে না। শুধু তিনিই নন, একইভাবে এশা এন্টারপ্রাইজ’-এর মো. কাজল হোসেনসহ আরও কয়েকজন ঠিকাদারও একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সিডিউল বিক্রয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে থাকেন না, এবং বিভিন্ন তালবাহানার মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ঠিকাদারদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে রেশন স্টোরের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বাদশা আলী তাঁর অভিযোগপত্রে ২ ডিসেম্বরের সিডিউল বিক্রি বাতিল, সিডিউল বিক্রির সময়সীমা পুনরায় বাড়ানো, এবং সব ঠিকাদারের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
বিষয়টি জানতে চাইলে আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান বলেন, অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সকল ঠিকাদারের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতেই আমরা কাজ করছি।
টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ ওঠায় ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে; অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষায় সংশ্লিষ্টরা।