ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত এশিয়ার চারটি দেশে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫০ জন। এর মধ্যে শুধু ইন্দোনেশিয়ায় মারা গেছে ৭০৮ জন। ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ারের প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় ৪৫০ জনের বেশি মারা গেছে। এছাড়া থাইল্যান্ডে ১৮১ এবং মালয়েশিয়ায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, গত সপ্তাহের বিরল ঘূর্ণিঝড়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, তিনটি প্রদেশে বন্যার কারণে এখনও নিখোঁজ ৫ শতাধিক মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১১ লাখ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উত্তর সুমাত্রা ও পশ্চিম সুমাত্রায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, শ্রীলঙ্কায় এখনও নিখোঁজ কয়েক শ মানুষ। ক্ষতি হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ির। বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ১০ লাখের বেশি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় চলছে জরুরি অবস্থা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, গত সপ্তাহের বিরল ঘূর্ণিঝড়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, তিনটি প্রদেশে বন্যার কারণে এখনও নিখোঁজ ৫ শতাধিক মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১১ লাখ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উত্তর সুমাত্রা ও পশ্চিম সুমাত্রায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, শ্রীলঙ্কায় এখনও নিখোঁজ কয়েক শ মানুষ। ক্ষতি হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ির। বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ১০ লাখের বেশি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় চলছে জরুরি অবস্থা।