রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে হোটেল ও রেস্তোরাগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব খাবার খেয়ে স্থানীয় মানুষজন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুরে বানেশ্বর বাজারে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে একটি হোটেলকে বাসি খাবার বিক্রির দায়ে ৫,০০০ টাকা এবং একটি ওষুধের দোকানকে ট্রেড লাইসেন্স না থাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অভিযোগে ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান পরিচালনা করেছেন পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাস।
পুঠিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পুঠিয়া পৌরসভার হাট-বাজারে মাত্র একজন স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ওপর নির্ভর করে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চলছে। বানেশ্বর, শিবপুর, বিড়ালদহ, পুঠিয়া, ঝলমলিয়া ও গোন্ডগোহলি বাজারে হোটেলগুলোর রান্না ও পরিবেশ পরীক্ষা করলে দেখা গেছে অপরিষ্কার পাত্র, ঢাকনাবিহীন রান্না, খাবারে মাছি, ধুলাবালি, নোংরা পানিতে গ্লাস ধোয়া, সিগারেটের ছাই পড়া, নোংরা হাতে রান্না ইত্যাদি। রান্নাঘরের ভেতরেও স্যাতসেতে এবং দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অধিকাংশ বাবুর্চির খাদ্য নিরাপত্তা আইন বা বাংলাদেশ পিওর ফুড অর্ডিন্যান্স সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।
খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ১৪(বি) ধারায় বলা হয়েছে মানহীন খাবার সরবরাহ করলে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাস জানান, “জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা অব্যাহত থাকবে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুরে বানেশ্বর বাজারে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে একটি হোটেলকে বাসি খাবার বিক্রির দায়ে ৫,০০০ টাকা এবং একটি ওষুধের দোকানকে ট্রেড লাইসেন্স না থাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অভিযোগে ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান পরিচালনা করেছেন পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাস।
পুঠিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পুঠিয়া পৌরসভার হাট-বাজারে মাত্র একজন স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ওপর নির্ভর করে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চলছে। বানেশ্বর, শিবপুর, বিড়ালদহ, পুঠিয়া, ঝলমলিয়া ও গোন্ডগোহলি বাজারে হোটেলগুলোর রান্না ও পরিবেশ পরীক্ষা করলে দেখা গেছে অপরিষ্কার পাত্র, ঢাকনাবিহীন রান্না, খাবারে মাছি, ধুলাবালি, নোংরা পানিতে গ্লাস ধোয়া, সিগারেটের ছাই পড়া, নোংরা হাতে রান্না ইত্যাদি। রান্নাঘরের ভেতরেও স্যাতসেতে এবং দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অধিকাংশ বাবুর্চির খাদ্য নিরাপত্তা আইন বা বাংলাদেশ পিওর ফুড অর্ডিন্যান্স সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।
খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ১৪(বি) ধারায় বলা হয়েছে মানহীন খাবার সরবরাহ করলে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাস জানান, “জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা অব্যাহত থাকবে।