সাগরপথে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ যাবার পথে যাত্রীবাহী স্পিডবোট ডুবিতে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৮ জনকে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের উত্তরে ঘোলারচরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন: মরিয়ম আক্তার ও তার শিশুকন্যা মাহিমা আক্তার। তারা সেন্টমার্টিনের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার পরিদর্শক আবু জায়েদ মো. নূর।
তিনি বলেন, ‘স্পিডবোট ডুবিতে উদ্ধার দুজনকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’
এদিকে কোস্টগার্ড জানায়, সকাল ১০টায় সেন্টমার্টিন থেকে একটি স্পিডবোট ১০ জন যাত্রী নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্য রওনা হয়। এই স্পিডবোটের সঙ্গে আরও একটি স্পিডবোট ছিল। দুটি বোট বঙ্গোপসাগরের ঘোলারচর পৌঁছালে হঠাৎ ঢেউয়ের আঘাতে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। পরে অপর স্পিডবোটটি তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ নিয়ে যায়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানায়, স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের উত্তরে ঘোলারচরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন: মরিয়ম আক্তার ও তার শিশুকন্যা মাহিমা আক্তার। তারা সেন্টমার্টিনের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার পরিদর্শক আবু জায়েদ মো. নূর।
তিনি বলেন, ‘স্পিডবোট ডুবিতে উদ্ধার দুজনকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’
এদিকে কোস্টগার্ড জানায়, সকাল ১০টায় সেন্টমার্টিন থেকে একটি স্পিডবোট ১০ জন যাত্রী নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্য রওনা হয়। এই স্পিডবোটের সঙ্গে আরও একটি স্পিডবোট ছিল। দুটি বোট বঙ্গোপসাগরের ঘোলারচর পৌঁছালে হঠাৎ ঢেউয়ের আঘাতে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। পরে অপর স্পিডবোটটি তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ নিয়ে যায়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানায়, স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।