দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরেও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে (রাসিক) এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত কর্মকর্তারা।
নগর ভবনকে ‘আওয়ামী দোসর’ ও দুর্নীতিমুক্ত করার জোর দাবি তুলেছে সাধারণ জনগণ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা।
বিশেষ করে নির্বাহী প্রকৌশলী ইমন এবং সুব্রত কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দলীয় প্রভাব বিস্তার ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাদের অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।
সরেজমিনে ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করার পেছনে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছেন এই দুই প্রকৌশলী।
রাসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমনের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিমনের ভাগ্নি জামাই। বিগত সরকারের আমলে এই আত্মীয়তার সম্পর্ক ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি নগর ভবনে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন।
অভিযোগ রয়েছে, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে লিমনের প্রভাবেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ সব টেন্ডার ও উন্নয়ন কাজের নিয়ন্ত্রণ নিতেন। সাধারণ ঠিকাদার ও কর্মচারীরা তার দাপটের কাছে ছিলেন অসহায়। সরকার পতনের পরেও তিনি স্বপদে বহাল থাকায় নগর ভবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরেক অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত কুমার ঘোষকে নিয়ে রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। ইতিপূর্বে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে তিনি চাকরি হারিয়েছিলেন। কিন্তু সাবেক রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ক্ষমতায় আসার পর দলীয় বিবেচনায় এবং মেয়রের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মেয়রের প্রতি ঋণ শোধ করতে গিয়ে সুব্রত কুমার ঘোষ বিগত সময়ে নগর ভবনে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ তছরুপ এবং দলীয় ঠিকাদারদের অনৈতিক সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
নগরবাসী ও সাধারণ কর্মচারীদের দাবি, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে সত্যিকারের জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হলে অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।
বিক্ষুব্ধ এক নাগরিক জানান, মেয়র পালিয়েছেন বা সরে গেছেন, কিন্তু তার দোসররা এখনো চেয়ার আঁকড়ে বসে আছে। প্রকৌশলী ইমন ও সুব্রত ঘোষের মতো দুর্নীতিবাজরা থাকলে নগর ভবন কখনোই কলুষমুক্ত হবে না। আমরা অবিলম্বে তাদের অপসারণ এবং বিগত দিনের সকল কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
ইতিমধ্যেই নগর ভবনের সামনে বিভিন্ন সময়ে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ চেয়ে স্লোগান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সাধারণ জনগণ। তাদের দাবি মানা না হলে অচিরেই কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
তবে এ ব্যপারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) কর্তৃপক্ষের অনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নগর ভবনকে ‘আওয়ামী দোসর’ ও দুর্নীতিমুক্ত করার জোর দাবি তুলেছে সাধারণ জনগণ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা।
বিশেষ করে নির্বাহী প্রকৌশলী ইমন এবং সুব্রত কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দলীয় প্রভাব বিস্তার ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাদের অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।
সরেজমিনে ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করার পেছনে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছেন এই দুই প্রকৌশলী।
রাসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমনের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিমনের ভাগ্নি জামাই। বিগত সরকারের আমলে এই আত্মীয়তার সম্পর্ক ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি নগর ভবনে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন।
অভিযোগ রয়েছে, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে লিমনের প্রভাবেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ সব টেন্ডার ও উন্নয়ন কাজের নিয়ন্ত্রণ নিতেন। সাধারণ ঠিকাদার ও কর্মচারীরা তার দাপটের কাছে ছিলেন অসহায়। সরকার পতনের পরেও তিনি স্বপদে বহাল থাকায় নগর ভবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরেক অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত কুমার ঘোষকে নিয়ে রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। ইতিপূর্বে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে তিনি চাকরি হারিয়েছিলেন। কিন্তু সাবেক রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ক্ষমতায় আসার পর দলীয় বিবেচনায় এবং মেয়রের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মেয়রের প্রতি ঋণ শোধ করতে গিয়ে সুব্রত কুমার ঘোষ বিগত সময়ে নগর ভবনে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ তছরুপ এবং দলীয় ঠিকাদারদের অনৈতিক সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
নগরবাসী ও সাধারণ কর্মচারীদের দাবি, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে সত্যিকারের জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হলে অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।
বিক্ষুব্ধ এক নাগরিক জানান, মেয়র পালিয়েছেন বা সরে গেছেন, কিন্তু তার দোসররা এখনো চেয়ার আঁকড়ে বসে আছে। প্রকৌশলী ইমন ও সুব্রত ঘোষের মতো দুর্নীতিবাজরা থাকলে নগর ভবন কখনোই কলুষমুক্ত হবে না। আমরা অবিলম্বে তাদের অপসারণ এবং বিগত দিনের সকল কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
ইতিমধ্যেই নগর ভবনের সামনে বিভিন্ন সময়ে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ চেয়ে স্লোগান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সাধারণ জনগণ। তাদের দাবি মানা না হলে অচিরেই কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
তবে এ ব্যপারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) কর্তৃপক্ষের অনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।