ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি কেন বাড়ছে তার নেপথ্যে কারণ অনেক। রোজের যাপনের কিছু ভুল তো আছেই, সেই সঙ্গে কিছু শারীরিক সমস্যাও স্ট্রোকের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়া জরুরি।
শরীর অবশ। কথা বলতে বলতে আচমকা জিভ জড়িয়ে গেল, হাত তুলে বোঝানোর চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলেন হাত তোলাও অসম্ভব। শরীরের এক পাশ অসাড় হয়ে গেল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আবার সব আগের মতোই স্বাভাবিক। তাই সে যাত্রায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা মাথাতেই এল না। পরে আচমকাই একদিন বড়সড় স্ট্রোকের ধাক্কা প্রাণসংশয় বাড়িয়ে দিল। ব্রেন স্ট্রোক বলেকয়ে আসে না। এর উপসর্গও সকলের ক্ষেত্রে এক রকম নয়। ইদানীংকালে কমবয়সিদের মধ্যে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছে। এর কারণ অনেক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন’ জানিয়েছে, রোজের যাপনে এমন কিছু ভুল হয়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলেও এমন হতে পারে।
কোন পাঁচ কারণে স্ট্রোক হতে পারে?
উচ্চ রক্তচাপ
স্ট্রোকের প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি। কমবয়সিদের মধ্যে ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার (যেগুলিতে নুনের মাত্রা বেশি) খাওয়ার প্রবণতা বেশি। অতিরিক্ত মানসিক চাপও উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের কারণ হতে পারে। রক্তচাপ বাড়লে রক্তনালিগুলির মধ্যে দিয়ে রক্তপ্রবাহে বাধা আসে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
স্থূলতা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার, জাঙ্ক ফুড স্থূলতার কারণ। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ডায়াবিটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে স্থূলতা, যা স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।
মদ্যপানে আসক্তি
প্রতি দিন আকণ্ঠ মদ্যপান করলে শুধু যে ফ্যাটি লিভারের রোগ হবে, এ ধারণা ভুল। অ্যালকোহল মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হতে হতে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।
হার্টের রোগ
জন্মগত ভাবে হার্টের সমস্যা থাকলে, হার্টে ছিদ্র থাকলে বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যা হলে তা থেকে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। সে কারণে বয়স ত্রিশ পার হলেই ইলেক্টোকার্ডিয়োগ্রাম ও ইকোকার্ডিয়োগ্রামের মতো কিছু টেস্ট করিয়ে রাখা দরকার।
ব্লাড ক্লটিং ডিজ়অর্ডার
থ্রম্বোফিলিয়া হল এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা থাকে। যাঁদের এই রোগ থাকে, তাঁদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আবার ‘সিকল সেল অ্যানিমিয়া’ থাকলেও ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। সিকল সেল অ্যানিমিয়া বংশানুক্রমিক ভাবে প্রাপ্ত রোগ, যাতে মানব শরীরের স্বাভাবিক গোলাকার লোহিত রক্তকণিকাগুলির আকার পাল্টে গিয়ে কোষগুলি কাস্তে বা অর্ধচন্দ্রের আকার ধারণ করে। কোষের ওই বিকৃত আকারের জন্য দেহের সব অংশে অক্সিজেন সঠিক ভাবে পরিবহণ হয় না। যার ফলে আক্রান্তরা ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণজনিত সমস্যা, আলসারের মতো রোগে ভোগেন।
শরীর অবশ। কথা বলতে বলতে আচমকা জিভ জড়িয়ে গেল, হাত তুলে বোঝানোর চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলেন হাত তোলাও অসম্ভব। শরীরের এক পাশ অসাড় হয়ে গেল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আবার সব আগের মতোই স্বাভাবিক। তাই সে যাত্রায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা মাথাতেই এল না। পরে আচমকাই একদিন বড়সড় স্ট্রোকের ধাক্কা প্রাণসংশয় বাড়িয়ে দিল। ব্রেন স্ট্রোক বলেকয়ে আসে না। এর উপসর্গও সকলের ক্ষেত্রে এক রকম নয়। ইদানীংকালে কমবয়সিদের মধ্যে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছে। এর কারণ অনেক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন’ জানিয়েছে, রোজের যাপনে এমন কিছু ভুল হয়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলেও এমন হতে পারে।
কোন পাঁচ কারণে স্ট্রোক হতে পারে?
উচ্চ রক্তচাপ
স্ট্রোকের প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি। কমবয়সিদের মধ্যে ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার (যেগুলিতে নুনের মাত্রা বেশি) খাওয়ার প্রবণতা বেশি। অতিরিক্ত মানসিক চাপও উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের কারণ হতে পারে। রক্তচাপ বাড়লে রক্তনালিগুলির মধ্যে দিয়ে রক্তপ্রবাহে বাধা আসে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
স্থূলতা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার, জাঙ্ক ফুড স্থূলতার কারণ। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ডায়াবিটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে স্থূলতা, যা স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।
মদ্যপানে আসক্তি
প্রতি দিন আকণ্ঠ মদ্যপান করলে শুধু যে ফ্যাটি লিভারের রোগ হবে, এ ধারণা ভুল। অ্যালকোহল মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হতে হতে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।
হার্টের রোগ
জন্মগত ভাবে হার্টের সমস্যা থাকলে, হার্টে ছিদ্র থাকলে বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যা হলে তা থেকে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। সে কারণে বয়স ত্রিশ পার হলেই ইলেক্টোকার্ডিয়োগ্রাম ও ইকোকার্ডিয়োগ্রামের মতো কিছু টেস্ট করিয়ে রাখা দরকার।
ব্লাড ক্লটিং ডিজ়অর্ডার
থ্রম্বোফিলিয়া হল এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা থাকে। যাঁদের এই রোগ থাকে, তাঁদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আবার ‘সিকল সেল অ্যানিমিয়া’ থাকলেও ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। সিকল সেল অ্যানিমিয়া বংশানুক্রমিক ভাবে প্রাপ্ত রোগ, যাতে মানব শরীরের স্বাভাবিক গোলাকার লোহিত রক্তকণিকাগুলির আকার পাল্টে গিয়ে কোষগুলি কাস্তে বা অর্ধচন্দ্রের আকার ধারণ করে। কোষের ওই বিকৃত আকারের জন্য দেহের সব অংশে অক্সিজেন সঠিক ভাবে পরিবহণ হয় না। যার ফলে আক্রান্তরা ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণজনিত সমস্যা, আলসারের মতো রোগে ভোগেন।