রাজশাহী নগরীর তালাইমারী মোড়ে নির্মিত আরডিএ কমপ্লেক্স ভবনটি ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও পূর্ণাঙ্গ সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে তোলার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ভবনটির মূল ফটকের সামনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে আইনজীবী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে ভবনটি নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে সেটি উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে না। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবনটি লিজ দিয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তারা জানান, জুলাই অভ্যুত্থানসহ রাজশাহীর নানা গণআন্দোলনের স্মৃতি বহন করে তালাইমারী এলাকা। এই ভবনে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস, ১৯৪৭ থেকে শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত সংগ্রামের ধারাবাহিকতা সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি শিশুসহ সব বয়সের মানুষের জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সংস্কৃতি কেন্দ্রের কাঠামোগত দাবিতে বক্তারা আরডিএ কমপ্লেক্সে- গাড়ি পার্কিং, এম্ফিথিয়েটার, উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, আর্ট গ্যালারি, মিউজিয়াম, সুস্থধারার বিনোদন ব্যবস্থা স্থাপনের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, নগরবাসীর চিত্তবিনোদন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং আগামী প্রজন্মের মননশীলতা বিকাশের জন্য এ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা জরুরি।
বক্তারা অবিলম্বে ভবনের লিজ বাতিল এবং এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবনকে পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্বিন্যাস না করলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
তারা আরও বলেন, আমরা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নই। তবে ভবনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়নি। প্রয়োজনে বিকল্প জায়গা পেতে সহযোগিতা করা হবে।
মানববন্ধন পরিচালনা করেন বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা আন্দোলন এর আহ্বায়ক, লেখক ও গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী।
মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই-৩৬ পরিষদের আহ্বায়ক মাহমুদ জামাল কাদেরী, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হোসেন আলী পিয়ারা, নারী নেত্রী ঈশিতা ইয়াসমিন, ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস) সভাপতি শামীউল আলীম শাওন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক নাদিম সিনা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী ওয়ালিউর রহমান বাবু, গণঅধিকার পরিষদ রাজশাহীর যুগ্ম সদস্য সচিব মো. রানা সহ আরও অনেকে।
মানববন্ধন শেষে ভবনটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ভবনটির মূল ফটকের সামনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে আইনজীবী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে ভবনটি নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে সেটি উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে না। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবনটি লিজ দিয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তারা জানান, জুলাই অভ্যুত্থানসহ রাজশাহীর নানা গণআন্দোলনের স্মৃতি বহন করে তালাইমারী এলাকা। এই ভবনে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস, ১৯৪৭ থেকে শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত সংগ্রামের ধারাবাহিকতা সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি শিশুসহ সব বয়সের মানুষের জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সংস্কৃতি কেন্দ্রের কাঠামোগত দাবিতে বক্তারা আরডিএ কমপ্লেক্সে- গাড়ি পার্কিং, এম্ফিথিয়েটার, উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, আর্ট গ্যালারি, মিউজিয়াম, সুস্থধারার বিনোদন ব্যবস্থা স্থাপনের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, নগরবাসীর চিত্তবিনোদন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং আগামী প্রজন্মের মননশীলতা বিকাশের জন্য এ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা জরুরি।
বক্তারা অবিলম্বে ভবনের লিজ বাতিল এবং এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবনকে পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্বিন্যাস না করলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
তারা আরও বলেন, আমরা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নই। তবে ভবনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়নি। প্রয়োজনে বিকল্প জায়গা পেতে সহযোগিতা করা হবে।
মানববন্ধন পরিচালনা করেন বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা আন্দোলন এর আহ্বায়ক, লেখক ও গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী।
মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই-৩৬ পরিষদের আহ্বায়ক মাহমুদ জামাল কাদেরী, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হোসেন আলী পিয়ারা, নারী নেত্রী ঈশিতা ইয়াসমিন, ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস) সভাপতি শামীউল আলীম শাওন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক নাদিম সিনা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী ওয়ালিউর রহমান বাবু, গণঅধিকার পরিষদ রাজশাহীর যুগ্ম সদস্য সচিব মো. রানা সহ আরও অনেকে।
মানববন্ধন শেষে ভবনটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।