চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে আলোচিত আপন দুই ভাই হত্যা মামলার তিনজন পলাতক ও সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর দেড় টায় হাটহাজারী থানার ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওসমান গনি মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্যতম হলো এ মামলার মূল পলাতক আসামি ওসমান গনি মানিক (৫৮)। বাকিরা হলো, মো. হারুন (৪০) ও আনোয়া পাশা বকুল (৬২)।
র্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফটিকছড়ি থানার ফতেহপুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার দিন রেজাউল করিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে স্ত্রী চিৎকার করলে স্থানীয় শতাধিক লোক বাড়িতে ছুটে যায়। উত্তেজিত জনতা রেজাউল করিমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রেজাউলের দুই ভাই,জাহাঙ্গীর ও আলমগীর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ড সে সময় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
ঘটনার পর নিহতদের ছোট ভাই মো. রাসেল বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৩, তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪; জিআর-১৫৪/২৪; ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
হত্যাকাণ্ডের পর র্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে হাটহাজারী থানার ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওসমান গনি মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর দুই পলাতক আসামি হারুন এবং আনোয়া পাশা বকুলকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের ফটিকছড়ি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর দেড় টায় হাটহাজারী থানার ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওসমান গনি মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্যতম হলো এ মামলার মূল পলাতক আসামি ওসমান গনি মানিক (৫৮)। বাকিরা হলো, মো. হারুন (৪০) ও আনোয়া পাশা বকুল (৬২)।
র্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফটিকছড়ি থানার ফতেহপুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার দিন রেজাউল করিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে স্ত্রী চিৎকার করলে স্থানীয় শতাধিক লোক বাড়িতে ছুটে যায়। উত্তেজিত জনতা রেজাউল করিমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রেজাউলের দুই ভাই,জাহাঙ্গীর ও আলমগীর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ড সে সময় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
ঘটনার পর নিহতদের ছোট ভাই মো. রাসেল বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৩, তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪; জিআর-১৫৪/২৪; ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
হত্যাকাণ্ডের পর র্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে হাটহাজারী থানার ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওসমান গনি মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর দুই পলাতক আসামি হারুন এবং আনোয়া পাশা বকুলকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের ফটিকছড়ি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।