চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার চাঞ্চল্যকর রিপু আক্তার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ও দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামি মো. মোক্তার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকাল পৌনে ৬টায় বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদী কাজী মসজিদ এলাকায় র্যাবের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত রিপু আক্তার (৩১) লস্করপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদ ওরফে মিয়ার স্ত্রী। ভিকটিম ও আসামিরা একই গোত্রের হওয়ায় পূর্ব থেকেই জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। ঘটনার দুই দিন আগে রিপু আক্তার স্বাভাবিকভাবে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান।
গত ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে বাড়ির উঠানে হাঁটার সময় আসামিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। প্রতিবাদ জানালে আসামি মোক্তারসহ এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা অন্যরা লাঠি, লোহার রড ও ইট দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। আশপাশের লোকজনের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বাঁশখালী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের স্বামী নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–২২, তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৫; ধারা ৩০২/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০)।
পলায়নশীল আসামিকে ধরতে র্যাব-৭ নিয়মিত নজরদারি বজায় রাখছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে অংশ নিয়ে অবশেষে মো. মোক্তার হোসেন (৪০)–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বাঁশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকাল পৌনে ৬টায় বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদী কাজী মসজিদ এলাকায় র্যাবের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত রিপু আক্তার (৩১) লস্করপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদ ওরফে মিয়ার স্ত্রী। ভিকটিম ও আসামিরা একই গোত্রের হওয়ায় পূর্ব থেকেই জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। ঘটনার দুই দিন আগে রিপু আক্তার স্বাভাবিকভাবে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান।
গত ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে বাড়ির উঠানে হাঁটার সময় আসামিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। প্রতিবাদ জানালে আসামি মোক্তারসহ এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা অন্যরা লাঠি, লোহার রড ও ইট দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। আশপাশের লোকজনের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বাঁশখালী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের স্বামী নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–২২, তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৫; ধারা ৩০২/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০)।
পলায়নশীল আসামিকে ধরতে র্যাব-৭ নিয়মিত নজরদারি বজায় রাখছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে অংশ নিয়ে অবশেষে মো. মোক্তার হোসেন (৪০)–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বাঁশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।