রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাম্প্রতিক ভূকম্পনের পর আবাসিক হল ও বিভিন্ন একাডেমিক ভবনের নিরাপত্তা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা যথারীতি চালু থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাকসু ও হল ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ভূমিকম্পের পর ভবনগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কারিগরি কমিটির সরেজমিন পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। প্রস্তাবিতভাবে স্বল্প সময়ের জন্য আবাসিক হল খালি করে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
তবে রাকসু ও হল ছাত্র সংসদের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না করার পক্ষে মত দেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীরা সেশনজটের আশঙ্কায় কোন অবস্থাতেই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ চান না। ঝুঁকি নিরূপণের কাজ চলাকালে হল খোলা রাখতে হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় তাঁরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনগুলো পর্যায়ক্রমে কারিগরি কমিটি পরিদর্শন করে ঝুঁকি নিরূপণ করবে। প্রয়োজনে অন্য ভবনেও একই প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন মজুমদারসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ।
রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাকসু ও হল ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ভূমিকম্পের পর ভবনগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কারিগরি কমিটির সরেজমিন পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। প্রস্তাবিতভাবে স্বল্প সময়ের জন্য আবাসিক হল খালি করে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
তবে রাকসু ও হল ছাত্র সংসদের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না করার পক্ষে মত দেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীরা সেশনজটের আশঙ্কায় কোন অবস্থাতেই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ চান না। ঝুঁকি নিরূপণের কাজ চলাকালে হল খোলা রাখতে হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় তাঁরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনগুলো পর্যায়ক্রমে কারিগরি কমিটি পরিদর্শন করে ঝুঁকি নিরূপণ করবে। প্রয়োজনে অন্য ভবনেও একই প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন মজুমদারসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ।