রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক কারবারী ও মাদকসেবীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, গাঁজা ও দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪জন, মাদক মামলায় ৪জন এবং অন্যান্য মামলায় ৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ শিরোইল কলোনি পশ্চিমপাড়া (কানার মোড়) এলাকা থেকে ২৭ পিস ইয়াবা সহ মাজেদা বেগমকে (৫৩) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় আটটি ও চন্দ্রিমা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এদিন রাত সোয়া ৯টার দিকে একই থানার আসাম কলোনি (বউ বাজার) এলাকা থেকে ২৬পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ সোহাগ ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, কর্ণহার থানা পুলিশ বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঘোষপুকুর গ্রাম থেকে ৩৫ গ্রাম গাঁজা সহ আনোয়ার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় মাদক ও পেনাল কোড আইনে দুটি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, দামকুড়া থানা পুলিশ সকাল পৌনে ৯টার দিকে আশগ্রাম থেকে ১০ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদ সহ সাবায়েদুল ইসলামকে (৬২) গ্রেপ্তার করে। এ সময় মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া রাত ৯টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ কাজলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রমজান আলীকে (২৫) গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪জন, মাদক মামলায় ৪জন এবং অন্যান্য মামলায় ৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ শিরোইল কলোনি পশ্চিমপাড়া (কানার মোড়) এলাকা থেকে ২৭ পিস ইয়াবা সহ মাজেদা বেগমকে (৫৩) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় আটটি ও চন্দ্রিমা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এদিন রাত সোয়া ৯টার দিকে একই থানার আসাম কলোনি (বউ বাজার) এলাকা থেকে ২৬পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ সোহাগ ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, কর্ণহার থানা পুলিশ বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঘোষপুকুর গ্রাম থেকে ৩৫ গ্রাম গাঁজা সহ আনোয়ার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় মাদক ও পেনাল কোড আইনে দুটি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, দামকুড়া থানা পুলিশ সকাল পৌনে ৯টার দিকে আশগ্রাম থেকে ১০ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদ সহ সাবায়েদুল ইসলামকে (৬২) গ্রেপ্তার করে। এ সময় মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া রাত ৯টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ কাজলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রমজান আলীকে (২৫) গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।