রাসায়নিক সারের সুষম ব্যবহার, উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করতে রাজশাহীর মোহনপুরে খামারি অ্যাপসের মাধ্যমে সার সুপারিশ বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদে অ্যাপসভিত্তিক সার সুপারিশের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে উপজেলার চান্দোপাড়া, বিদিরপুর, ধুরইল, মোহনপুর ও আমগাছী এলাকার প্রদর্শনী আমন ধানের মাঠ পরিদর্শন করেন মনিটরিং টিমের সদস্যরা। এ সময় কৃষকদের নিয়ে উঠান বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনকালে ধানের বর্তমান অবস্থা, জমিতে সার প্রয়োগের পদ্ধতি এবং খামারি অ্যাপসের সুপারিশ অনুসরণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি সঠিক মাত্রা ও সময়ে সার প্রয়োগ, সারের অপচয় রোধ এবং মাটির উর্বরতা সংরক্ষণে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
উঠান বৈঠকে কর্মকর্তারা বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই খামারি অ্যাপসের সুপারিশ অনুযায়ী সুষম সার ব্যবহার করলে কৃষকের ব্যয় কমবে এবং মাটির উর্বরতা রক্ষা পাবে। এর মাধ্যমে আমন ধানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
মাঠ পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কেজিএফের পরিচালক (শস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ) ড. মোঃ আককাছ আলী, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রাজশাহীর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হাসান-অর-রশিদ, ডিএইর উপপরিচালক (বীজ ও অন্যান্য উপকরণ) ড. সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী, ডিএই রাজশাহীর উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, বিএআরসির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ারুল হক, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শুভ ভৌমিক।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদে অ্যাপসভিত্তিক সার সুপারিশের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে উপজেলার চান্দোপাড়া, বিদিরপুর, ধুরইল, মোহনপুর ও আমগাছী এলাকার প্রদর্শনী আমন ধানের মাঠ পরিদর্শন করেন মনিটরিং টিমের সদস্যরা। এ সময় কৃষকদের নিয়ে উঠান বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনকালে ধানের বর্তমান অবস্থা, জমিতে সার প্রয়োগের পদ্ধতি এবং খামারি অ্যাপসের সুপারিশ অনুসরণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি সঠিক মাত্রা ও সময়ে সার প্রয়োগ, সারের অপচয় রোধ এবং মাটির উর্বরতা সংরক্ষণে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
উঠান বৈঠকে কর্মকর্তারা বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই খামারি অ্যাপসের সুপারিশ অনুযায়ী সুষম সার ব্যবহার করলে কৃষকের ব্যয় কমবে এবং মাটির উর্বরতা রক্ষা পাবে। এর মাধ্যমে আমন ধানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
মাঠ পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কেজিএফের পরিচালক (শস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ) ড. মোঃ আককাছ আলী, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রাজশাহীর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হাসান-অর-রশিদ, ডিএইর উপপরিচালক (বীজ ও অন্যান্য উপকরণ) ড. সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী, ডিএই রাজশাহীর উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, বিএআরসির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ারুল হক, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শুভ ভৌমিক।