ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার কথা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে সীমিত পরিসরে হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা জানান। শনিবার (৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। একই সময়ে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি মার্কিন চালকবিহীন উড়োজাহাজ (ড্রোন) ভূপাতিত করেছে।
সামরিক হামলার কথা স্বীকার করলেও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে—এমন খবর নাকচ করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি জানিয়েছেন, সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে তেহরান।
সব মিলিয়ে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।