বাংলাদেশের রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ির সঙ্গে রয়েছে পারিবারিক শেকড়ের সম্পর্ক। পূর্বপুরুষের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক এই রাজবাড়ি নিজের চোখে দেখতে চান ভারতীয় টালিউড অভিনেত্রী অঙ্গনা রায়। সুযোগ হলে একদিন বাংলাদেশে ফিরে শেকড়ের টানে পুঠিয়া রাজবাড়ি ঘুরে দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে নিজের পারিবারিক ইতিহাস ও পুঠিয়া রাজবাড়ির সঙ্গে পূর্বপুরুষের যোগসূত্রের কথা তুলে ধরেন অঙ্গনা রায়। তিনি জানান, বংশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ি দেখার প্রবল আগ্রহ রয়েছে তাঁর।
অভিনেত্রীর এ বক্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে রাজশাহীর ঐতিহাসিক পুঠিয়া রাজবাড়ি। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাসাদটি তাঁর কাছে শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও নিজের শেকড়ের সঙ্গে সংযোগের প্রতীক।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত এই রাজবাড়ি বাংলার অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। ১৮৯৫ সালে মহারানি হেমন্তকুমারী দেবী প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী, কারুকাজ ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে আসছে।
একসময় পুঠিয়া রাজপরিবারের ক্ষমতা, ঐশ্বর্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল রাজবাড়িটি। সময়ের ব্যবধানে রাজপরিবারের জৌলুস হারিয়ে গেলেও স্থাপনাটি আজও বহন করছে অতীতের গৌরবময় ইতিহাস।
অঙ্গনা রায়ের পুঠিয়া রাজবাড়ি দেখতে আসার ইচ্ছা পূরণ হলে তা হবে তাঁর জন্য পূর্বপুরুষের স্মৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি নতুন করে আলোচনায় আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যপ্রেমীরা।
এখন দেখার বিষয়, শেকড়ের টানে কবে পুঠিয়া রাজবাড়িতে পা রাখেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে নিজের পারিবারিক ইতিহাস ও পুঠিয়া রাজবাড়ির সঙ্গে পূর্বপুরুষের যোগসূত্রের কথা তুলে ধরেন অঙ্গনা রায়। তিনি জানান, বংশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ি দেখার প্রবল আগ্রহ রয়েছে তাঁর।
অভিনেত্রীর এ বক্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে রাজশাহীর ঐতিহাসিক পুঠিয়া রাজবাড়ি। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাসাদটি তাঁর কাছে শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও নিজের শেকড়ের সঙ্গে সংযোগের প্রতীক।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত এই রাজবাড়ি বাংলার অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। ১৮৯৫ সালে মহারানি হেমন্তকুমারী দেবী প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী, কারুকাজ ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে আসছে।
একসময় পুঠিয়া রাজপরিবারের ক্ষমতা, ঐশ্বর্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল রাজবাড়িটি। সময়ের ব্যবধানে রাজপরিবারের জৌলুস হারিয়ে গেলেও স্থাপনাটি আজও বহন করছে অতীতের গৌরবময় ইতিহাস।
অঙ্গনা রায়ের পুঠিয়া রাজবাড়ি দেখতে আসার ইচ্ছা পূরণ হলে তা হবে তাঁর জন্য পূর্বপুরুষের স্মৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি নতুন করে আলোচনায় আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যপ্রেমীরা।
এখন দেখার বিষয়, শেকড়ের টানে কবে পুঠিয়া রাজবাড়িতে পা রাখেন এই অভিনেত্রী।