মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে এআই-নির্মিত মিম প্রকাশ করেছে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, চার ব্যক্তি ট্রাম্পকে তুলে বিপজ্জনক বর্জ্য লেখা একটি ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছেন। ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন।
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের খারাপ ফলের পরপরই মিমটি প্রকাশ করা হয়। তবে ট্রাম্পকে নিয়ে ইরানি দূতাবাসের এমন ব্যঙ্গ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ করেছে ইরানের কূটনৈতিক মিশনগুলো।
৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৫টি এবং ৩৬টি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদে ভোট হয়। মেইন অঙ্গরাজ্যে পাঁচবারের রিপাবলিকান সিনেটর সুজান কলিন্স ডেমোক্র্যাটিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে, কয়েকটি এলাকায় ভোট গণনা তখনো চলছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলকে আসন হারানোর চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে ২৮টি এবং সিনেটে চারটি আসন হারানোর নজির রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের।
চলতি বছর ইরানের দূতাবাসগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে নিয়ে একের পর এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করেছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ভারতের ইরানি দূতাবাসের একটি এআই-নির্মিত ছবিতে ট্রাম্পকে ইরানের পতাকাবাহী এক অশ্বারোহীর মূর্তির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এপ্রিলে মুম্বাইয়ে অবস্থিত ইরানি কনস্যুলেট ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের জবাবে তাঁর ‘একমুখী সাংস্কৃতিক ডিটক্স’ প্রয়োজন বলে কটাক্ষ করে। ভারতকে নরককুণ্ড বলার ওই মন্তব্যের সমালোচনা করেছিল নয়াদিল্লি।
এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে তিউনিসিয়ায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের একটি মিম ব্যবহার করে ট্রাম্পের নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে।
ইরানের এই অনলাইন প্রচারের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা। গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা এবং দেশটির ওপর আরোপিত অবরোধের কারণে তেল রপ্তানি ও অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে জ্বালানি ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পাশাপাশি বিদেশি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া নিয়েও তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের খারাপ ফলের পরপরই মিমটি প্রকাশ করা হয়। তবে ট্রাম্পকে নিয়ে ইরানি দূতাবাসের এমন ব্যঙ্গ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ করেছে ইরানের কূটনৈতিক মিশনগুলো।
৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৫টি এবং ৩৬টি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদে ভোট হয়। মেইন অঙ্গরাজ্যে পাঁচবারের রিপাবলিকান সিনেটর সুজান কলিন্স ডেমোক্র্যাটিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে, কয়েকটি এলাকায় ভোট গণনা তখনো চলছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলকে আসন হারানোর চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে ২৮টি এবং সিনেটে চারটি আসন হারানোর নজির রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের।
চলতি বছর ইরানের দূতাবাসগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে নিয়ে একের পর এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করেছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ভারতের ইরানি দূতাবাসের একটি এআই-নির্মিত ছবিতে ট্রাম্পকে ইরানের পতাকাবাহী এক অশ্বারোহীর মূর্তির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এপ্রিলে মুম্বাইয়ে অবস্থিত ইরানি কনস্যুলেট ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের জবাবে তাঁর ‘একমুখী সাংস্কৃতিক ডিটক্স’ প্রয়োজন বলে কটাক্ষ করে। ভারতকে নরককুণ্ড বলার ওই মন্তব্যের সমালোচনা করেছিল নয়াদিল্লি।
এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে তিউনিসিয়ায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের একটি মিম ব্যবহার করে ট্রাম্পের নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে।
ইরানের এই অনলাইন প্রচারের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা। গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা এবং দেশটির ওপর আরোপিত অবরোধের কারণে তেল রপ্তানি ও অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে জ্বালানি ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পাশাপাশি বিদেশি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া নিয়েও তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।