চট্টগ্রাম মহানগরীতে যুবদল কর্মী আবু ইউসুফ প্রকাশ জীবন হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েল ও তাঁর সহযোগী মোঃ আরমানকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ ছাড়া চুরির অভিযোগে মো. হাসানকে পিটিয়ে হত্যার মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত মোঃ আলম পাইককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৭ চট্টগ্রাম, এসআরবি-১১ নারায়ণগঞ্জ ও এসআরবি-১ ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় আবু ইউসুফ প্রকাশ জীবনকে (২৭) ছুরিকাঘাত ও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ২৯ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির প্রধান অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েল (৪০) ও এজাহারনামীয় আসামি মো. আরমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসআরবি জানায়, ১ নভেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার ঠাকুরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২ নভেম্বর রাত ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত জুয়েলকে আটক করা হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মো. হাসান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত মো. আলম পাইককে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭। সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে নগরীর চান্দগাঁও থানার আরকান রোডে চাঁদগাঁও হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৭ চট্টগ্রাম, এসআরবি-১১ নারায়ণগঞ্জ ও এসআরবি-১ ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় আবু ইউসুফ প্রকাশ জীবনকে (২৭) ছুরিকাঘাত ও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ২৯ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির প্রধান অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েল (৪০) ও এজাহারনামীয় আসামি মো. আরমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসআরবি জানায়, ১ নভেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার ঠাকুরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২ নভেম্বর রাত ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত জুয়েলকে আটক করা হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মো. হাসান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত মো. আলম পাইককে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭। সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে নগরীর চান্দগাঁও থানার আরকান রোডে চাঁদগাঁও হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।