রাজশাহীতে অস্ত্র আইনে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী বেলপুকুর থানা পুলিশ। এ ছাড়া নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সাজাপ্রাপ্ত মোঃ রাকিবুল ইসলাম শান্ত সে বেলপুকুর থানার ধাদাশ গ্রামের মোঃ বাদশার ছেলে।
শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, ২০২২ সালে রাজশাহীর বাঘা থানায় রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকে সে পলাতক ছিলো। অবশেষে শুক্রবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলপুকুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পবা থানার ছোট ভালাম জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের মোসাঃ মিতালী বেগমের (৩৮) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩০০ টাকা সহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় আগের একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ চরশ্যামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে ৯৯টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোঃ আকাশ আলীকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একই এলাকার মোঃ সাগর মিয়া (৩২) পালিয়ে যায়। পলাতক আসামি সাগর মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, নগরীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পাঁচজন, মাদক মামলায় দুজন এবং অন্যান্য মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাজাপ্রাপ্ত মোঃ রাকিবুল ইসলাম শান্ত সে বেলপুকুর থানার ধাদাশ গ্রামের মোঃ বাদশার ছেলে।
শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, ২০২২ সালে রাজশাহীর বাঘা থানায় রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকে সে পলাতক ছিলো। অবশেষে শুক্রবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলপুকুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পবা থানার ছোট ভালাম জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের মোসাঃ মিতালী বেগমের (৩৮) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩০০ টাকা সহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় আগের একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ চরশ্যামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে ৯৯টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোঃ আকাশ আলীকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একই এলাকার মোঃ সাগর মিয়া (৩২) পালিয়ে যায়। পলাতক আসামি সাগর মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, নগরীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পাঁচজন, মাদক মামলায় দুজন এবং অন্যান্য মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।