কিশোরীকে চুম্বন করার ‘শাস্তি’! সরশুনায় বন্দুক দেখিয়ে নগ্ন করে পথে হাঁটানো হল তরুণকে, সঙ্গে বাবা এবং বন্ধুকেও!

আপলোড সময় : ২৬-১০-২০২৬ ০৮:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-১০-২০২৬ ০৮:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন
খাস কলকাতায় নগ্ন করে হাঁটানো হল তিন জন পুরুষকে। অভিযোগ, বন্দুকের নল মাথায় ঠেকিয়ে তাঁদের পোশাক খুলতে বাধ্য করা হয়। দেওয়া হয় খুনের হুমকিও। এক কিশোরীকে চুম্বন করার অভিযোগে তরুণ, তাঁর বাবা এবং আর এক বন্ধুকে এ ভাবেই ‘শাস্তি’ দিয়েছেন কিশোরীর পরিবারের সদস্যেরা। প্রকাশ্য রাস্তায় প্রায় ৫০ মিটার নগ্ন অবস্থায় ওই তিন জনকে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট তিন জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের এক আধিকারিক জানান। বাকিদের খোঁজ চলছে।

সরশুনা থানা এলাকার ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ বছরের তরুণ রবিবার সন্ধ্যায় খালপার মাঠের সামনে ১৩ বছরের এক কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ১৯ বছর বয়সি এক বন্ধুও। কথা বলতে বলতে তরুণ ওই নাবালিকাকে চুম্বন করেন। তা দেখে ফেলেন নাবালিকার মামার বন্ধু। তিনি তাঁর বাবা এবং মামাকে বিষয়টি জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

 ডেকে নিয়ে যান। মামা ফোন করে ডেকে নেন আরও তিন-চার জন বন্ধুকে। বাড়ির মধ্যে দু’জনকে দীর্ঘক্ষণ হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে ডাকা হয় তরুণের বাবাকে। অভিযোগ, এর পরেই তিন জনের মাথায় বন্দুকের নল ঠেকিয়ে তাঁদের বিবস্ত্র হতে বাধ্য করেন কিশোরীর পরিবারের সদস্যেরা। বাড়ির সামনের রাস্তায় নগ্ন হয়ে তাঁদের হাঁটতে বাধ্য করা হয়। ছাড় দেওয়া হয়নি তরুণের বাবাকেও।

তরুণের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সরশুনা থানায় সোমবার মামলা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় খুনের চেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে আঘাত, জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া, বেআইনি ভাবে আটকে রাখা, সম্মানহানি, ভয় দেখানোর মামলা রুজু করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ধারাও যোগ করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত প্রদীপ, রাহুল এবং কিশোরীর মা রিঙ্কু সরকারকে। তিন জনের নামই এফআইআর-এ রয়েছে। এ ছা়ড়া বাকি অভিযুক্তদের পুলিশ খুঁজছে।

রবিবার সন্ধ্যায় সরশুনার ক্ষুদিরামপল্লিতে ঠিক কী কী ঘটেছিল, জানতে এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ। দুই তরুণের মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁদের বয়ানও রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। দু’জনেই জানিয়েছেন, পোশাক খোলার জন্য তাঁদের মাথায় বন্দুক ঠেকানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে এখনও কোনও বন্দুক খুঁজে পায়নি। বিষয়টি জানতে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : rajshahirsomoy@gmail.com,                    md.masudrana2008@gmail.com