চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) একটি আভিযানিক দল। এ সময় আত্মরক্ষা ও সরকারি অস্ত্র-গোলাবারুদ রক্ষার্থে ফাঁকা গুলি ছোড়ে এসআরবি। পরবর্তীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে দুই দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জন হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ অক্টোবর বিকেলে এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় ২০টির অধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মো. আলমগীর চন্দনাইশ থানাধীন বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারি গ্রামের ঘাটকুল পাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবির আভিযানিক দলটি সেখানে পৌঁছালে আসামি আলমগীর উপস্থিতি টের পেয়ে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে তার অনুসারী ৪০-৫০ জনের একটি সন্ত্রাসী দলকে একত্রিত করেন। পরে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। সন্ত্রাসীরা মারমুখী হয়ে উঠলে এসআরবি সদস্যরা নিজেদের জানমাল ও সরকারি অস্ত্র-গোলাবারুদ রক্ষার্থে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। হামলায় এসআরবির ৪-৫ জন সদস্য আহত হন। তবে ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসী গ্রুপের তিন সদস্যকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো: মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) এবং আজিজুর রহমান সবুজ (২১)। তারা সবাই চন্দনাইশ উপজেলার কানাই মাদারি এলাকার বাসিন্দা।
এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫ অক্টোবর গভীর রাতে এসআরবি-৭ এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে উত্তর কানাইমাদারী এলাকা থেকে আরও দুই হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত অপর দুজন হলো: ঞ্জুর ইসলাম (৩৯) এবং মোঃ নবাব শরীফ প্রকাশ নবাব মিয়া (৩৪)।
এসআরবি জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রসহ চন্দনাইশ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধীদের দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ অক্টোবর বিকেলে এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় ২০টির অধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মো. আলমগীর চন্দনাইশ থানাধীন বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারি গ্রামের ঘাটকুল পাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবির আভিযানিক দলটি সেখানে পৌঁছালে আসামি আলমগীর উপস্থিতি টের পেয়ে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে তার অনুসারী ৪০-৫০ জনের একটি সন্ত্রাসী দলকে একত্রিত করেন। পরে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। সন্ত্রাসীরা মারমুখী হয়ে উঠলে এসআরবি সদস্যরা নিজেদের জানমাল ও সরকারি অস্ত্র-গোলাবারুদ রক্ষার্থে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। হামলায় এসআরবির ৪-৫ জন সদস্য আহত হন। তবে ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসী গ্রুপের তিন সদস্যকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো: মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) এবং আজিজুর রহমান সবুজ (২১)। তারা সবাই চন্দনাইশ উপজেলার কানাই মাদারি এলাকার বাসিন্দা।
এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫ অক্টোবর গভীর রাতে এসআরবি-৭ এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে উত্তর কানাইমাদারী এলাকা থেকে আরও দুই হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত অপর দুজন হলো: ঞ্জুর ইসলাম (৩৯) এবং মোঃ নবাব শরীফ প্রকাশ নবাব মিয়া (৩৪)।
এসআরবি জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রসহ চন্দনাইশ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধীদের দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।