ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ ইস্রাফিলকে (৩৫) চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম ও এসআরবি-৯, সিলেটের যৌথ আভিযানিক দল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ আভিযানিক দল জানতে পারে, মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ ইস্রাফিল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে বায়েজিদ থানাধীন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ রোডের রংধনু টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্স দোকানের সামনের সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইস্রাফিল (৩৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার নারুই গ্রামের মোঃ শিশু মিয়ার ছেলে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দায়ের করা মামলা নং-৪৯-এ প্রথমে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়।
গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইস্রাফিলকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মামলাটি বিচারাধীন হলে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করার নীতি প্রযোজ্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ আভিযানিক দল জানতে পারে, মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ ইস্রাফিল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে বায়েজিদ থানাধীন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ রোডের রংধনু টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্স দোকানের সামনের সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইস্রাফিল (৩৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার নারুই গ্রামের মোঃ শিশু মিয়ার ছেলে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দায়ের করা মামলা নং-৪৯-এ প্রথমে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়।
গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইস্রাফিলকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মামলাটি বিচারাধীন হলে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করার নীতি প্রযোজ্য।