নাটোরের সিংড়ায় ফকির বংশ ও সরকার বংশের মধ্যে প্রায় ৫০ বছর ধরে চলে আসা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের মীমাংসা করেছেন বিএনপি নেতা ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক কামরুল হাসান। তাঁর উদ্যোগে বিরোধের নিষ্পত্তি হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর ডাহিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিয়াশ চকপাড়া এলাকায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ বিরোধের মীমাংসা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়াশ চকপাড়া এলাকায় জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ফকির বংশ ও সরকার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলা এ বিরোধ নিরসনে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত ছিল। পরে প্রভাষক কামরুল হাসানের উদ্যোগে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিরোধটির নিষ্পত্তি করা হয়।
বিরোধের মীমাংসার পর প্রভাষক কামরুল হাসান বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করব। কোনো ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ হতে দেব না। মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর ডাহিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিয়াশ চকপাড়া এলাকায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ বিরোধের মীমাংসা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়াশ চকপাড়া এলাকায় জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ফকির বংশ ও সরকার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলা এ বিরোধ নিরসনে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত ছিল। পরে প্রভাষক কামরুল হাসানের উদ্যোগে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিরোধটির নিষ্পত্তি করা হয়।
বিরোধের মীমাংসার পর প্রভাষক কামরুল হাসান বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করব। কোনো ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ হতে দেব না। মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”