বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে এক গৃহবধূর চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে একই গ্রামের এক রাজমিস্ত্রির সঙ্গে তিনি চলে গেছেন বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত গৃহবধূর নাম লাভলী খাতুন। তিনি নন্দীগ্রাম উপজেলার কামুল্ল্যা গ্রামের দুবাইপ্রবাসী শাকিল হোসেন ওরফে কাবিলের স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, বাড়ি থেকে পাঁচ লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে শাকিল হোসেনের সঙ্গে লাভলী খাতুনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে দুবাইয়ে কাজ করছেন শাকিল।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, একই গ্রামের ইরফান হোসেনের ছেলে আজিজুল পেশায় রাজমিস্ত্রি। শাকিলের বাড়িতে নির্মাণকাজ করার সুবাদে লাভলী খাতুনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি পরিবারের। বিষয়টি জানার পর শাকিল ও তাঁর দুই সন্তান তাঁকে ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তবে পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে আজিজুলের সঙ্গে চলে যান লাভলী খাতুন। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। আজিজুলের সংসারেও এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর দুই সন্তানকে নিয়ে পরিবারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিবারের দাবি, সন্তানরা বর্তমানে মায়ের কাছে ফিরতে চায় না। তারা বাবার কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ নিয়ে যাওয়া সম্পদ ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাভলী খাতুন ও আজিজুলের বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সত্যতা ও নিয়ে যাওয়া সম্পদের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযুক্ত গৃহবধূর নাম লাভলী খাতুন। তিনি নন্দীগ্রাম উপজেলার কামুল্ল্যা গ্রামের দুবাইপ্রবাসী শাকিল হোসেন ওরফে কাবিলের স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, বাড়ি থেকে পাঁচ লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে শাকিল হোসেনের সঙ্গে লাভলী খাতুনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে দুবাইয়ে কাজ করছেন শাকিল।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, একই গ্রামের ইরফান হোসেনের ছেলে আজিজুল পেশায় রাজমিস্ত্রি। শাকিলের বাড়িতে নির্মাণকাজ করার সুবাদে লাভলী খাতুনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি পরিবারের। বিষয়টি জানার পর শাকিল ও তাঁর দুই সন্তান তাঁকে ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তবে পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে আজিজুলের সঙ্গে চলে যান লাভলী খাতুন। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। আজিজুলের সংসারেও এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর দুই সন্তানকে নিয়ে পরিবারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিবারের দাবি, সন্তানরা বর্তমানে মায়ের কাছে ফিরতে চায় না। তারা বাবার কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ নিয়ে যাওয়া সম্পদ ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাভলী খাতুন ও আজিজুলের বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সত্যতা ও নিয়ে যাওয়া সম্পদের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।