রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রজেক্ট অগ্রযাত্রা'র মাধ্যমে হাল্ট প্রাইজের ২০২৬ সালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রবিবার সকালে এ কার্যক্রমের প্রথম উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে মিশন জিরোবাইট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রজেক্ট জিরোবাইট-এর মূল প্রতিপাদ্য, Zero Bites, Zero Dengue, A Healthier Tomorrow এর মাধ্যমে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিকভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে জমে থাকা পানি অপসারণ, নিয়মিত পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
‘মিশন জিরোবাইট এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলা। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ সচেতনতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মানসিকতা আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা।
তাঁদের প্রত্যাশা, প্রজেক্ট অগ্রযাত্রা'র মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।#
রবিবার সকালে এ কার্যক্রমের প্রথম উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে মিশন জিরোবাইট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রজেক্ট জিরোবাইট-এর মূল প্রতিপাদ্য, Zero Bites, Zero Dengue, A Healthier Tomorrow এর মাধ্যমে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিকভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে জমে থাকা পানি অপসারণ, নিয়মিত পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
‘মিশন জিরোবাইট এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলা। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ সচেতনতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মানসিকতা আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা।
তাঁদের প্রত্যাশা, প্রজেক্ট অগ্রযাত্রা'র মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।#