সরকারি স্কুলের চার ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এমনকী, স্কুলের ক্লাসরুমে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আম্রেলি জেলায়।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আম্রেলি জেলার জাফরাবাদ এলাকার একটি সরকারি স্কুলের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার ছাত্রী যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানায়। তাঁদের মধ্যে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, জেলায় পুলিশের উদ্যোগে ‘মিশন স্মাইল’ কর্মসূচি চলাকালীন ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে স্কুলের ছাত্রীদের ‘গুড টাচ ও ব্যাড টাচ’ সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছিল। সেই সময়ই একের পর এক ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খোলে।
অভিযোগ, ওই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের যৌন হেনস্থা করতেন। ছাত্রীদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের স্টাফরুমে ডেকে পাঠানো হতো। চা-বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কাছে ডেকে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন তিনি। এমনকী, ফাঁকা ক্লাসরুমেও যৌন হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, সম্প্রতি এক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগের কথা পরিবারের সদস্যদের জানায়। এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, জাফরাবাদ টাউন থানায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনত নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আম্রেলি জেলার জাফরাবাদ এলাকার একটি সরকারি স্কুলের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার ছাত্রী যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানায়। তাঁদের মধ্যে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, জেলায় পুলিশের উদ্যোগে ‘মিশন স্মাইল’ কর্মসূচি চলাকালীন ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে স্কুলের ছাত্রীদের ‘গুড টাচ ও ব্যাড টাচ’ সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছিল। সেই সময়ই একের পর এক ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খোলে।
অভিযোগ, ওই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের যৌন হেনস্থা করতেন। ছাত্রীদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের স্টাফরুমে ডেকে পাঠানো হতো। চা-বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কাছে ডেকে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন তিনি। এমনকী, ফাঁকা ক্লাসরুমেও যৌন হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, সম্প্রতি এক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগের কথা পরিবারের সদস্যদের জানায়। এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, জাফরাবাদ টাউন থানায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে তদন্ত চলছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনত নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে।