জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে রাজশাহী রেশম কারখানা ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। তিনি বলেছেন, রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়াতে সরকার নতুন পাওয়ার লুম চালু করছে। এ শিল্পের পুনর্জাগরণে সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।
শুক্রবার দুপুর ১২টায় রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ২ লাখ তুঁতচারা রোপণ এবং রেশম কারখানার ১৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যে ১৫টি পাওয়ার লুম চালু করা হয়েছে। আগামী দিনে আরও ২৫টি পাওয়ার লুম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজশাহী রেশম শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্রিটিশ শাসনামল কিংবা তারও আগে সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল। ঐতিহ্যবাহী মসলিন ও রেশম শিল্প ছিল এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। তবে পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ নানা ভুলের কারণে রাজশাহী রেশম কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে সব ধরনের ক্ষতিকর কোন্দল পরিহার করতে হবে। রেশম কারখানাকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করে এর সুরক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি যোগ্য কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
ভূমিমন্ত্রী কর্মকর্তা ও সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পরিবারের মতো পরিচালনা করতে হবে। সরকারের বিশেষ উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজশাহী সিল্কের বিশ্বজুড়ে পরিচিতি, সুনাম ও ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ তৌফিক আল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু সাইদ চাঁদ, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এরশাদ আলী ঈশা এবং রেশম পণ্য ব্যবসায়ী মোঃ আসলাম সরকার।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক, রেশম পণ্য ব্যবসায়ী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার দুপুর ১২টায় রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ২ লাখ তুঁতচারা রোপণ এবং রেশম কারখানার ১৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যে ১৫টি পাওয়ার লুম চালু করা হয়েছে। আগামী দিনে আরও ২৫টি পাওয়ার লুম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজশাহী রেশম শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্রিটিশ শাসনামল কিংবা তারও আগে সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল। ঐতিহ্যবাহী মসলিন ও রেশম শিল্প ছিল এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। তবে পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ নানা ভুলের কারণে রাজশাহী রেশম কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে সব ধরনের ক্ষতিকর কোন্দল পরিহার করতে হবে। রেশম কারখানাকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করে এর সুরক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি যোগ্য কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
ভূমিমন্ত্রী কর্মকর্তা ও সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পরিবারের মতো পরিচালনা করতে হবে। সরকারের বিশেষ উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজশাহী সিল্কের বিশ্বজুড়ে পরিচিতি, সুনাম ও ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ তৌফিক আল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু সাইদ চাঁদ, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এরশাদ আলী ঈশা এবং রেশম পণ্য ব্যবসায়ী মোঃ আসলাম সরকার।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক, রেশম পণ্য ব্যবসায়ী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।