রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহানের অপসারণ দাবিতে তাঁর কার্যালয় ঘেরাও করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারাও যোগ দেন। একপর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। এতে ভেতরে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
সোমবার দুপুর ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলা ১টা পর্যন্ত চলে আন্দোলন। এ সময় ইউএনওর অপসারণের পাশাপাশি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের জবাব দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপজেলা সার ডিলার নিয়োগ কমিটির সভাপতি হিসেবে ইউএনও ইসরাত জাহান নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেছেন। নীতিমালা অনুসরণ না করে দলীয় প্রভাবের ভিত্তিতে ডিলার নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় আন্দোলন চললেও ইউএনও তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
রাজশাহী মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের অধিকাংশই বিএনপির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। তাঁদের কারও কারও সার বিক্রির দোকান বা গুদাম নেই বলেও দাবি করেন তিনি। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন।
রাজশাহী জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব আব্দুল হামিদ বাবলু বলেন, আমরা এই ইউএনওর অপসারণ চাই। তিনি নিয়ম মেনে সার ডিলার নিয়োগ দেননি। আমরা চাই, ন্যায্যতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হোক। কোনো ধরনের দলীয়করণ বা পক্ষপাত যেন না থাকে।
এ বিষয়ে ইউএনও ইসরাত জাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সিনিয়র স্যার এসেছেন। প্রটোকলে আছি, পরে কথা বলব।
কর্মসূচিতে গোদাগাড়ী উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, পৌর এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, জামায়াত নেতা মাহফুজ ও ডিলারপ্রত্যাশী ইলিয়াস আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার দুপুর ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলা ১টা পর্যন্ত চলে আন্দোলন। এ সময় ইউএনওর অপসারণের পাশাপাশি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের জবাব দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপজেলা সার ডিলার নিয়োগ কমিটির সভাপতি হিসেবে ইউএনও ইসরাত জাহান নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেছেন। নীতিমালা অনুসরণ না করে দলীয় প্রভাবের ভিত্তিতে ডিলার নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় আন্দোলন চললেও ইউএনও তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
রাজশাহী মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের অধিকাংশই বিএনপির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। তাঁদের কারও কারও সার বিক্রির দোকান বা গুদাম নেই বলেও দাবি করেন তিনি। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন।
রাজশাহী জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব আব্দুল হামিদ বাবলু বলেন, আমরা এই ইউএনওর অপসারণ চাই। তিনি নিয়ম মেনে সার ডিলার নিয়োগ দেননি। আমরা চাই, ন্যায্যতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হোক। কোনো ধরনের দলীয়করণ বা পক্ষপাত যেন না থাকে।
এ বিষয়ে ইউএনও ইসরাত জাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সিনিয়র স্যার এসেছেন। প্রটোকলে আছি, পরে কথা বলব।
কর্মসূচিতে গোদাগাড়ী উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, পৌর এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, জামায়াত নেতা মাহফুজ ও ডিলারপ্রত্যাশী ইলিয়াস আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।