নারীজাতি স্বয়ং মায়ের প্রতীক।নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। কাজেই নারীর অধিকার ক্ষুন্ন করার বা তাকে অমর্যাদা করার অধিকার স্রষ্টা কাউকে দেননি। পুরুষের অস্তিত্ব বিকশিত হয় নারীর গর্ভ থেকে। পুরুষ নারীর স্তন্যে লালিত হয় শৈশবে। একজন নারীর শরীর থেকে প্রতিটি পুরুষের জন্ম হয়।
সুতরাং কোনো পুরুষের অধিকার নেই নারীর পবিত্র শরীর নষ্ট করার। নারীর শরীর কেনো পবিত্র জানেন? যে নারীর শরীর থেকে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এর জন্ম, হজরত নবী (সাঃ) এর জন্ম, মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যর জন্ম, গৌতম বুদ্ধের জন্ম এবং স্রষ্টা কতৃক প্রেরিত প্রতিটি মহাপুরুষ ও মহিয়সীর জন্ম সেই নারীর শরীর অতি মূল্যবান ও পবিত্র।
যে কাপুরুষ নারীর জীবন ধ্বংস করে এবং তার কামবাসনা পূরণার্থে নারী ধর্ষণ করে, সেই পুরুষের শাস্তি একমাত্রই মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। যে কাপুরুষ নারীর শ্লীলতাহানি করে, তার বোঝা উচিত ওই নারী কোনো পিতারই স্নেহের ঔরসজাত কন্যা এবং কোনো স্বামীরই প্রিয়তমা স্ত্রী।
প্রতিটি ধর্ষক পুরুষের শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড হোক।তার এমন মৃত্যু দণ্ড হোক, যাতে প্রতিটি পুরুষের মধ্যে ধর্ষণের প্রবৃত্তি মৃত্যুবরণ করে, এমন কঠিন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। চলুন কয়েকটা ধর্মীয় ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করি। হিন্দুশাস্ত্রে, সীতার অভিশাপে মহাপরাক্রমশালী রাবণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মহাভারতে দ্রৌপদীর অপমান সহ্য করতে না পেরে শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রে কৌরব বংশ ধ্বংস করেছেন।
ইসলাম বিধান অনুযায়ী, আল্লাহ নারীদের কঠিন পর্দার বিধান দিয়েছেন, কারণ নারীর শরীর হীরের চেয়েও দামী। নারী দুর্বল নয়, দেবী দূর্গা তার বলিষ্ঠ প্রমান।এই যুগে, আমি আহ্বান জানাই প্রতিটি নারীদের, আপনারা দেবী দুর্গার মতো অস্ত্রধারী ও অসুরবিনাশকারিণী হয়ে উঠুন।
মনে রাখবেন, নারী পুরুষের অর্ধাঙ্গিনী ও জন্মপ্রদানকারীনী। নারীর জননী হিসেবে পুরুষের প্রাণ প্রতিষ্ঠাকারিণী এবং স্ত্রী হিসেবে অর্ধাঙ্গিনী। ইসলাম শাস্ত্রে, নারীর অশ্রু যদি এক ফোঁটাও পতিত হয়, সেই গৃহে ফেরেস্তারা আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ জানান। স্ত্রীর মনে কষ্ট দিয়ে কোনো পুরুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। হিন্দুশাস্ত্রে, নারী শক্তি ঈশ্বরের প্রধান শক্তি। নারীরা ভোগের সামগ্রী বা সন্তান জন্মদানের যন্ত্র না। তারাও মানুষ এবং সমাজে তাদেরও সমমর্যাদা লাভের অধিকার আছে।
পরিশেষে, বলতে পারি যে, নারীর বিশ্বাস অর্জন করে এবং তাকে সম্মান জানিয়ে বিবাহ দ্বারা স্ত্রীর স্বীকৃতি দিয়ে তাকে স্পর্শ করুন। এটাই প্রতিটি পুরুষের পরম দায়িত্ব।
নারীর অবস্থান, গুরুত্ব ও শক্তি সম্পর্ক এ প্রতিটি ছেলে শিশুকে অবগত করুন। নারী দুর্বল না, শক্তি। নারীর অধিকার নিশ্চিত করুন। প্রতিটি শিশুকে নৈতিক শিক্ষা দিন। নারীর প্রতি সমমর্যাদা প্রদর্শন করুন, হয়তো ধর্ষণ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
নারীশক্তি, অনুষা মোহন্ত ঐশী, ইংরেজি ডিপার্টমেন্ট, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি।
সুতরাং কোনো পুরুষের অধিকার নেই নারীর পবিত্র শরীর নষ্ট করার। নারীর শরীর কেনো পবিত্র জানেন? যে নারীর শরীর থেকে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এর জন্ম, হজরত নবী (সাঃ) এর জন্ম, মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যর জন্ম, গৌতম বুদ্ধের জন্ম এবং স্রষ্টা কতৃক প্রেরিত প্রতিটি মহাপুরুষ ও মহিয়সীর জন্ম সেই নারীর শরীর অতি মূল্যবান ও পবিত্র।
যে কাপুরুষ নারীর জীবন ধ্বংস করে এবং তার কামবাসনা পূরণার্থে নারী ধর্ষণ করে, সেই পুরুষের শাস্তি একমাত্রই মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। যে কাপুরুষ নারীর শ্লীলতাহানি করে, তার বোঝা উচিত ওই নারী কোনো পিতারই স্নেহের ঔরসজাত কন্যা এবং কোনো স্বামীরই প্রিয়তমা স্ত্রী।
প্রতিটি ধর্ষক পুরুষের শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড হোক।তার এমন মৃত্যু দণ্ড হোক, যাতে প্রতিটি পুরুষের মধ্যে ধর্ষণের প্রবৃত্তি মৃত্যুবরণ করে, এমন কঠিন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। চলুন কয়েকটা ধর্মীয় ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করি। হিন্দুশাস্ত্রে, সীতার অভিশাপে মহাপরাক্রমশালী রাবণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মহাভারতে দ্রৌপদীর অপমান সহ্য করতে না পেরে শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রে কৌরব বংশ ধ্বংস করেছেন।
ইসলাম বিধান অনুযায়ী, আল্লাহ নারীদের কঠিন পর্দার বিধান দিয়েছেন, কারণ নারীর শরীর হীরের চেয়েও দামী। নারী দুর্বল নয়, দেবী দূর্গা তার বলিষ্ঠ প্রমান।এই যুগে, আমি আহ্বান জানাই প্রতিটি নারীদের, আপনারা দেবী দুর্গার মতো অস্ত্রধারী ও অসুরবিনাশকারিণী হয়ে উঠুন।
মনে রাখবেন, নারী পুরুষের অর্ধাঙ্গিনী ও জন্মপ্রদানকারীনী। নারীর জননী হিসেবে পুরুষের প্রাণ প্রতিষ্ঠাকারিণী এবং স্ত্রী হিসেবে অর্ধাঙ্গিনী। ইসলাম শাস্ত্রে, নারীর অশ্রু যদি এক ফোঁটাও পতিত হয়, সেই গৃহে ফেরেস্তারা আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ জানান। স্ত্রীর মনে কষ্ট দিয়ে কোনো পুরুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। হিন্দুশাস্ত্রে, নারী শক্তি ঈশ্বরের প্রধান শক্তি। নারীরা ভোগের সামগ্রী বা সন্তান জন্মদানের যন্ত্র না। তারাও মানুষ এবং সমাজে তাদেরও সমমর্যাদা লাভের অধিকার আছে।
পরিশেষে, বলতে পারি যে, নারীর বিশ্বাস অর্জন করে এবং তাকে সম্মান জানিয়ে বিবাহ দ্বারা স্ত্রীর স্বীকৃতি দিয়ে তাকে স্পর্শ করুন। এটাই প্রতিটি পুরুষের পরম দায়িত্ব।
নারীর অবস্থান, গুরুত্ব ও শক্তি সম্পর্ক এ প্রতিটি ছেলে শিশুকে অবগত করুন। নারী দুর্বল না, শক্তি। নারীর অধিকার নিশ্চিত করুন। প্রতিটি শিশুকে নৈতিক শিক্ষা দিন। নারীর প্রতি সমমর্যাদা প্রদর্শন করুন, হয়তো ধর্ষণ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
নারীশক্তি, অনুষা মোহন্ত ঐশী, ইংরেজি ডিপার্টমেন্ট, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি।