অসহায় পরিবারের মেয়েদের নিজের সন্তানের মতো করে বিয়ে দেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ব্যবসায়ী রুহুল আমিন রুবেল। গত ২৪ বছরে নিজের উপার্জনের টাকায় ১১৩ জন মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি। বিয়ের পোশাক, গয়না, উপহারসামগ্রী থেকে শুরু করে সাজসজ্জা ও খাবারের সব খরচই বহন করেন নিজে।
সর্বশেষ গত ৯ অক্টোবর নওগাঁর মান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ভ্যানচালক আফছার আলীর মেয়ে আফসানা মিমির (২০) বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। নাটোর সদর উপজেলার সবুজ মণ্ডলের ছেলে কাউছার মণ্ডলের (২২) সঙ্গে বিয়ে হয় আফসানার।
আফসানার বাবা আফছার আলী ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। আর্থিক সংকটের কারণে মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। পরে রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিয়ের সব দায়িত্ব নেন এই ব্যবসায়ী। গায়েহলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন করেন নিজের মেয়ের মতো করে।
আফসানা জানান, অর্থাভাবে তার বাবা বিয়ের আয়োজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে রুহুল আমিন যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা তার কল্পনার বাইরে ছিল। এ জন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নববধূ। বর কাউছারও রুহুল আমিনকে বিয়ের উকিল বাবা হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান।
বিয়ের দিন কনের বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। অতিথি ও বরযাত্রীদের আপ্যায়নে গরু, খাসি, মুরগি, ডিম ও পোলাওসহ নানা পদের খাবারের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজের পর বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে আসেন কাউছার। রুহুল আমিন সোনার আংটি দিয়ে বরকে বরণ করেন। পরে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।
নিজের উদ্যোগে আয়োজন করা প্রতিটি বিয়ের তারিখ ও স্থান লিখে রাখেন রুহুল আমিন। অনেক বিয়ের ছবি ও ভিডিওও সংরক্ষণ করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ের বাবা এই ব্যবসায়ী অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াকে নিজের শখ হিসেবে নিয়েছেন।
এর আগে গত ২১ আগস্ট ১১২তম বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বালাদিয়া গ্রামের এতিম তরুণী সুমাইয়া আক্তারের বিয়েতে সহযোগিতা করেন। তার মা জহুরা বেওয়া জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর মাঠে-ঘাটে কাজ করে মেয়েকে বড় করেছেন। মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলেও রুহুল আমিনের সহায়তায় সম্মানের সঙ্গে সেই দায়িত্ব সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
এ ছাড়া গত ২১ জুন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতি গ্রামের জালাল মোল্লার মেয়ে রাবেয়া খাতুনের বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। আট বছর আগে ক্যানসারে বাবাকে হারানো রাবেয়াও তার সহযোগিতায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ে করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানান।
রুহুল আমিনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম, এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা। ওয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম বলেন, রুহুল আমিন অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা করেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে সব আয়োজন সম্পন্ন করেন। বড়াইগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসও তার এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
রুহুল আমিন বলেন, নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াই তার শখ। এর বিনিময়ে পার্থিব জীবনে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা নেই তার। ১১৩ জন মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি মনে করেন, এই মেয়েরা তারই সন্তান, আর তাদের স্বামীরা তার জামাই।
সর্বশেষ গত ৯ অক্টোবর নওগাঁর মান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ভ্যানচালক আফছার আলীর মেয়ে আফসানা মিমির (২০) বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। নাটোর সদর উপজেলার সবুজ মণ্ডলের ছেলে কাউছার মণ্ডলের (২২) সঙ্গে বিয়ে হয় আফসানার।
আফসানার বাবা আফছার আলী ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। আর্থিক সংকটের কারণে মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। পরে রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিয়ের সব দায়িত্ব নেন এই ব্যবসায়ী। গায়েহলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন করেন নিজের মেয়ের মতো করে।
আফসানা জানান, অর্থাভাবে তার বাবা বিয়ের আয়োজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে রুহুল আমিন যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা তার কল্পনার বাইরে ছিল। এ জন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নববধূ। বর কাউছারও রুহুল আমিনকে বিয়ের উকিল বাবা হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান।
বিয়ের দিন কনের বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। অতিথি ও বরযাত্রীদের আপ্যায়নে গরু, খাসি, মুরগি, ডিম ও পোলাওসহ নানা পদের খাবারের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজের পর বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে আসেন কাউছার। রুহুল আমিন সোনার আংটি দিয়ে বরকে বরণ করেন। পরে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।
নিজের উদ্যোগে আয়োজন করা প্রতিটি বিয়ের তারিখ ও স্থান লিখে রাখেন রুহুল আমিন। অনেক বিয়ের ছবি ও ভিডিওও সংরক্ষণ করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ের বাবা এই ব্যবসায়ী অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াকে নিজের শখ হিসেবে নিয়েছেন।
এর আগে গত ২১ আগস্ট ১১২তম বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বালাদিয়া গ্রামের এতিম তরুণী সুমাইয়া আক্তারের বিয়েতে সহযোগিতা করেন। তার মা জহুরা বেওয়া জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর মাঠে-ঘাটে কাজ করে মেয়েকে বড় করেছেন। মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলেও রুহুল আমিনের সহায়তায় সম্মানের সঙ্গে সেই দায়িত্ব সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
এ ছাড়া গত ২১ জুন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতি গ্রামের জালাল মোল্লার মেয়ে রাবেয়া খাতুনের বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। আট বছর আগে ক্যানসারে বাবাকে হারানো রাবেয়াও তার সহযোগিতায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ে করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানান।
রুহুল আমিনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম, এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা। ওয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম বলেন, রুহুল আমিন অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা করেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে সব আয়োজন সম্পন্ন করেন। বড়াইগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসও তার এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
রুহুল আমিন বলেন, নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াই তার শখ। এর বিনিময়ে পার্থিব জীবনে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা নেই তার। ১১৩ জন মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি মনে করেন, এই মেয়েরা তারই সন্তান, আর তাদের স্বামীরা তার জামাই।