মানবাধিকার সুরক্ষায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী ও বিশিষ্টজনেরা। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের হাতিয়ার হয়ে না ওঠে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহী নগরীর আমানা ফুড ভিলের সম্মেলনকক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিকার-এর রাজশাহী সমন্বয়ক ও সাংবাদিক মঈন উদ্দিন।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন এবং জবাবদিহির বিকল্প নেই। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আড়াল না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। নিরাপত্তার অজুহাতে নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার সংকুচিত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
তাঁরা আরও বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, সে পরিবেশও বজায় রাখা জরুরি।
আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত, দৈনিক নতুন প্রভাত-এর সম্পাদক ও কবি সোহেল মাহবুব, রাজ টাইমস-এর সম্পাদক শাহ সুফি মুহিব্বুল আরেফিন, বাসসের রাজশাহী প্রতিনিধি ওমর ফারুক, রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুদ রানা রাব্বানী, মানবাধিকারকর্মী সানজিদা ইসলাম ও আইনজীবী নিজাম উদ্দিনসহ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মানবাধিকারকর্মী এম শামিম।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত অধিকার দীর্ঘদিন ধরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিবদ্ধ করা এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠার ৩২ বছর পূর্তিতে সংগঠনটি মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহী নগরীর আমানা ফুড ভিলের সম্মেলনকক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিকার-এর রাজশাহী সমন্বয়ক ও সাংবাদিক মঈন উদ্দিন।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন এবং জবাবদিহির বিকল্প নেই। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আড়াল না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। নিরাপত্তার অজুহাতে নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার সংকুচিত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
তাঁরা আরও বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, সে পরিবেশও বজায় রাখা জরুরি।
আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত, দৈনিক নতুন প্রভাত-এর সম্পাদক ও কবি সোহেল মাহবুব, রাজ টাইমস-এর সম্পাদক শাহ সুফি মুহিব্বুল আরেফিন, বাসসের রাজশাহী প্রতিনিধি ওমর ফারুক, রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুদ রানা রাব্বানী, মানবাধিকারকর্মী সানজিদা ইসলাম ও আইনজীবী নিজাম উদ্দিনসহ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মানবাধিকারকর্মী এম শামিম।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত অধিকার দীর্ঘদিন ধরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিবদ্ধ করা এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠার ৩২ বছর পূর্তিতে সংগঠনটি মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।