রাজশাহীর পুঠিয়ায় মাদকের বিস্তার রোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষায় প্রশাসন ও জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতারা। তাঁরা বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের তেলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা এবং পুঠিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল হোসেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের আসক্তি থেকে রক্ষা করতে হলে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়। এ জন্য পরিবারে সচেতনতা বৃদ্ধি, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তাঁরা আরও বলেন, মাদক কেনাবেচা ও বিস্তার রোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এলাকায় মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনকে সহায়তা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তুলতে হবে।
ইউএনও লিয়াকত সালমান বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চালিয়ে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনসচেতনতা, পারিবারিক নজরদারি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কার্যকর সমন্বয় জরুরি। এছাড়াও তিনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের তেলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা এবং পুঠিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল হোসেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের আসক্তি থেকে রক্ষা করতে হলে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়। এ জন্য পরিবারে সচেতনতা বৃদ্ধি, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তাঁরা আরও বলেন, মাদক কেনাবেচা ও বিস্তার রোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এলাকায় মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনকে সহায়তা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তুলতে হবে।
ইউএনও লিয়াকত সালমান বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চালিয়ে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনসচেতনতা, পারিবারিক নজরদারি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কার্যকর সমন্বয় জরুরি। এছাড়াও তিনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।