আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। তবে ছুটির সমন্বয়ের জন্য ১৭ অক্টোবর শনিবার সংশ্লিষ্ট সব ধরনের অফিস খোলা থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরাও ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন। চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীদের ক্ষেত্রেও এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না। জরুরি কাজে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
এ ছাড়া বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। তবে ছুটির সমন্বয়ের জন্য ১৭ অক্টোবর শনিবার সংশ্লিষ্ট সব ধরনের অফিস খোলা থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরাও ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন। চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীদের ক্ষেত্রেও এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না। জরুরি কাজে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
এ ছাড়া বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।