‘২৫ হাজার টাকার কথা বলে সহানুভূতি চাইনি’, বিতর্কে মুখ খুললেন রীতি

আপলোড সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০২:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০২:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন
‘বিগ বস্‌ ২০’ থেকে সম্প্রতি বাদ পড়েছেন রীতি তিওয়ারি। রিয়্যালিটি শোয়ে থাকাকালীন একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। এবার ‘বিগ বস্‌’-এ তাঁর অভিজ্ঞতা, বাবা অভিনেতা-রাজনীতিক মনোজ তিওয়ারির সঙ্গে সম্পর্ক এবং আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে করা মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলেছেন রীতি।

‘বিগ বস্‌ ২০’-এর ঘরে থাকাকালীন রীতি জানিয়েছিলেন, একটা সময় তাঁর বাবা তাঁকে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে দিতেন। সেই টাকা দিয়েই তাঁকে নিজের খরচ সামলাতে হতো। এমনকি এমন সময়ও গিয়েছে, যখন দামি জিনিস কেনা তো দূরের কথা, গাড়িতে পেট্রল ভরানোর মতো পর্যাপ্ত টাকাও তাঁর কাছে থাকত না বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

রীতির এই মন্তব্যের পরই শুরু হয় বিতর্ক। তাঁর মায়ের প্রাক্তন স্বামী বলে দাবি করা একম বাওয়া একটি ভিডিও প্রকাশ করে রীতির বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ওই ভিডিওতে রীতির কাছে থাকা বিলাসবহুল ব্যাগ ও দামি গাড়ির প্রসঙ্গও তিনি তুলেছিলেন বলে অভিযোগ।

এবার সেই বিতর্কের জবাব দিয়েছেন রীতি। তবে একমের মন্তব্য নিয়ে সরাসরি কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। রীতি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

একমের মন্তব্য প্রসঙ্গে রীতি বলেন, “যেহেতু ইতিমধ্যেই উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে, তাই আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে আমার মনে হয়, বিশেষ বিশেষ সময়ে বিশেষ কিছু মানুষের মন্তব্য প্রকাশ করাই অনেক কথা বলে দেয়। আপনারা বুঝতে পারছেন আমি কী বলতে চাইছি। আমি তো সেই সময়ে নিজেকে রক্ষা করার অবস্থায় ছিলাম না। তখন আমি ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে। দর্শকও যথেষ্ট বুদ্ধিমান। তাঁরা বুঝতে পারবেন।”

তবে মাসে ২৫ হাজার টাকা পাওয়ার মন্তব্য নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রীতি। তাঁর দাবি, তিনি কখনও নিজেকে অভাবী হিসেবে তুলে ধরতে চাননি। বরং নিজের জীবনের একটি অভিজ্ঞতার কথাই বলেছিলেন।

রীতির কথায়, “প্রথমত, কখনও বলিনি যে আমি সমস্যায় ছিলাম। এটা শুধুই আমার একটা অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটি বাড়ি এবং পরিবারের চিন্তাভাবনা আলাদা। আমার বয়স এখন ২৫। আমার বাবা এবং পরিবার সবসময় খুব স্পষ্ট করে বলেছেন—‘নিজের জীবন নিজেকেই তৈরি করতে হবে।’ কারণ, আমাকে যদি সবকিছু তৈরি করে দেওয়া হয়, তা হলে তার মূল্য আমি বুঝব না। নিজের জীবনে কিছু অর্জন করার, কিছু করার সেই আগুনটা আমার মধ্যে কখনও তৈরি হবে না। তাই আমি যে ভাবে বড় হয়েছি, তাতে খুশি।”

রীতি আরও জানান, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর নিজের প্রয়োজনের জন্য পরিবারের কাছে টাকা চাইতেও তাঁর অস্বস্তি হয়। তখন নিজের মনেই প্রশ্ন জাগে—‘আমাকেই করতে হবে। আমি নিজে কেন করতে পারব না?’

তাঁর ভাষায়, “এমন নয় যে, আমি সুযোগসুবিধা পাইনি। যা বলেছি, তা আমার জীবনের শুধু একটা সত্যি ঘটনা। এটাই ঘটেছিল। এটা আমার লড়াইয়ের গল্প নয়। এটা শুধু আমার গল্প।”

দর্শকের সহানুভূতি পাওয়ার উদ্দেশ্যেও তিনি ওই কথা বলেননি বলে জানিয়েছেন রীতি। তাঁর দাবি, ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে একটি আবেগপ্রবণ মুহূর্তে নিজের মনের কথাই প্রকাশ করেছিলেন।

রীতি বলেন, “আমি কোনও সহানুভূতি চাইছি না। আমি যদি সহানুভূতি চাইতাম, তা হলে বহু বছর ধরেই সেটা চাইতে পারতাম। যদি এটা আমার উদ্দেশ্য হত, তা হলে এত বছর ধরে আমি সেটাই করে যেতাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি খুব বাস্তববাদী হয়ে উঠেছিলাম। আমি শুধু সত্যিটাই বলেছি। এটাই মূল কথা।”

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : rajshahirsomoy@gmail.com,                    md.masudrana2008@gmail.com