পঞ্চগড়ের বোদায় কথা আছে বলে এক নারী মোটরসাইকেল থামানোর পর চালককে মারধর, টাকা ও মোটরসাইকেল লুটের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ওরফে রনি (৩০) এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সোহেল রানা (৩৪)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে আটোয়ারী উপজেলার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র বর্মন (৩০) মোটরসাইকেলে করে বোদা উপজেলা শহরসংলগ্ন প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। সেখানে অপরিচিত এক নারী তার মোটরসাইকেল থামিয়ে কথা আছে বলে জানান।
পরিমল ওই নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন যুবক সেখানে এসে ওই নারীর সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন। একপর্যায়ে তারা পরিমলকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি বসে সমাধান করার কথা বলে তাকে ইউসুফ আলীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও তাকে মারধর করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, ওই বাড়িতেও পরিমল ওই নারীকে দেখতে পান। এ সময় তার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তার মোটরসাইকেল আটকে রেখে চারটি ১০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানান পরিমল। পরদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। সেখানে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করা স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বোদা থানায় পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন পরিমল চন্দ্র বর্মন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মজুমদার (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন আরিফ (৩৫) এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রাজু ইসলাম (৩২)।
এদিকে ঘটনার পর রাজু ইসলাম ছাড়া অপর চার যুবদল নেতার প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ স্থগিত করেছে বোদা পৌর যুবদল। পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. অলিয়ার রহমান ও সদস্যসচিব মো. আফছারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে অভিযুক্তদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা তিন দিনের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলকান্ত রায় বলেন, গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে সোমবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ওরফে রনি (৩০) এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সোহেল রানা (৩৪)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে আটোয়ারী উপজেলার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র বর্মন (৩০) মোটরসাইকেলে করে বোদা উপজেলা শহরসংলগ্ন প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। সেখানে অপরিচিত এক নারী তার মোটরসাইকেল থামিয়ে কথা আছে বলে জানান।
পরিমল ওই নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন যুবক সেখানে এসে ওই নারীর সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন। একপর্যায়ে তারা পরিমলকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি বসে সমাধান করার কথা বলে তাকে ইউসুফ আলীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও তাকে মারধর করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, ওই বাড়িতেও পরিমল ওই নারীকে দেখতে পান। এ সময় তার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তার মোটরসাইকেল আটকে রেখে চারটি ১০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানান পরিমল। পরদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। সেখানে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করা স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বোদা থানায় পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন পরিমল চন্দ্র বর্মন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মজুমদার (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন আরিফ (৩৫) এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রাজু ইসলাম (৩২)।
এদিকে ঘটনার পর রাজু ইসলাম ছাড়া অপর চার যুবদল নেতার প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ স্থগিত করেছে বোদা পৌর যুবদল। পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. অলিয়ার রহমান ও সদস্যসচিব মো. আফছারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে অভিযুক্তদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা তিন দিনের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলকান্ত রায় বলেন, গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে সোমবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।