চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে খড়ের স্তূপের নিচে রাখা ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ।
রোববার সকালে উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামে যৌথ অভিযানে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়৫৩ বিজিবি সূত্র জানায়, রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রঘুনাথপুর বিওপির একটি টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে খাকসাপাড়া গ্রামের মো. কালামের বাড়ির সামনে একটি খড়ের স্তূপের নিচে কালো রঙের বালতিতে ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পায় বিজিবি সদস্যরা।
পরে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে শিবগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে।
প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দুপুর সাড়ে ২টার দিকে উদ্ধার করা বস্তুগুলো শিবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
রোববার সকালে উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামে যৌথ অভিযানে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়৫৩ বিজিবি সূত্র জানায়, রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রঘুনাথপুর বিওপির একটি টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে খাকসাপাড়া গ্রামের মো. কালামের বাড়ির সামনে একটি খড়ের স্তূপের নিচে কালো রঙের বালতিতে ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পায় বিজিবি সদস্যরা।
পরে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে শিবগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে।
প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দুপুর সাড়ে ২টার দিকে উদ্ধার করা বস্তুগুলো শিবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।