ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ সেতু, স্থাপনা ও শিল্পকারখানা লক্ষ্য করে রুশ ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। রোববার রাজধানী কিয়েভের দুটি সেতুতে ড্রোন হামলা চালানোর পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি প্রদেশে ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠী কুসুমের মালিকানাধীন একটি ওষুধ কারখানায় হামলা চালানো হয়েছে। এতে কারখানাটির অধিকাংশ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
রোববার সকালে সুমি অঞ্চলে কুসুম শিল্পগোষ্ঠীর ওষুধ কারখানায় ড্রোন হামলা হয়। হামলার পর কারখানার ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে প্রায় ৪০০ কোটি রুপি সমমূল্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভারতের কুসুম শিল্পগোষ্ঠী ১৯৯৪ সালে ইউক্রেনে ওষুধ সরবরাহ শুরু করে। পরে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে ২০০৯ সালে ইউক্রেনের সুমি এলাকায় নিজেদের ওষুধ কারখানা স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ ধরনের ওষুধ উৎপাদন করে এবং ইউক্রেন, উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানসহ নয়টি দেশে এসব ওষুধ রপ্তানি করে। ভারতীয় শিল্পপতি রাজীব গুপ্ত বর্তমানে কুসুম গোষ্ঠীর কর্ণধার।
এদিকে কিয়েভের দুটি সেতুতে রুশ ড্রোন হামলা চালানো হলেও সেতুগুলোর কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। তবে যান চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নতুন করে হামলার আশঙ্কায় অনেক ইউক্রেনীয় সড়কপথের পরিবর্তে মেট্রো ও ট্রেন ব্যবহার করছেন।
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেন যখন চাপের মুখে, তখন দেশটির প্রতি সমর্থন জানাতে কিয়েভে পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেয়ার্ৎস। রোববার পূর্বনির্ধারিত সূচি ছাড়াই কিয়েভে গিয়ে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।
ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মেয়ার্ৎস বলেন, কিয়েভে এসে তিনি ইউক্রেনকে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, জার্মানির ওপর দেশটি ভরসা রাখতে পারে। তাঁর মতে, যুদ্ধের ফলাফলের সঙ্গে জার্মানির নিরাপত্তাও জড়িত। তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই ইউক্রেনকে সহায়তা করা হচ্ছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া তুলনামূলক কম খরচের দ্রুতগতির ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে। এসব ড্রোনের অনেকগুলোই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে।
অন্যদিকে পাল্টা হামলা চালিয়ে রাশিয়ার শিল্পাঞ্চল ও তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করছে ইউক্রেন। রাশিয়াকে ‘শিক্ষা দিতে’ চলতি সপ্তাহে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে কিয়েভ।
রোববার সকালে সুমি অঞ্চলে কুসুম শিল্পগোষ্ঠীর ওষুধ কারখানায় ড্রোন হামলা হয়। হামলার পর কারখানার ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে প্রায় ৪০০ কোটি রুপি সমমূল্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভারতের কুসুম শিল্পগোষ্ঠী ১৯৯৪ সালে ইউক্রেনে ওষুধ সরবরাহ শুরু করে। পরে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে ২০০৯ সালে ইউক্রেনের সুমি এলাকায় নিজেদের ওষুধ কারখানা স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ ধরনের ওষুধ উৎপাদন করে এবং ইউক্রেন, উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানসহ নয়টি দেশে এসব ওষুধ রপ্তানি করে। ভারতীয় শিল্পপতি রাজীব গুপ্ত বর্তমানে কুসুম গোষ্ঠীর কর্ণধার।
এদিকে কিয়েভের দুটি সেতুতে রুশ ড্রোন হামলা চালানো হলেও সেতুগুলোর কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। তবে যান চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নতুন করে হামলার আশঙ্কায় অনেক ইউক্রেনীয় সড়কপথের পরিবর্তে মেট্রো ও ট্রেন ব্যবহার করছেন।
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেন যখন চাপের মুখে, তখন দেশটির প্রতি সমর্থন জানাতে কিয়েভে পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেয়ার্ৎস। রোববার পূর্বনির্ধারিত সূচি ছাড়াই কিয়েভে গিয়ে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।
ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মেয়ার্ৎস বলেন, কিয়েভে এসে তিনি ইউক্রেনকে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, জার্মানির ওপর দেশটি ভরসা রাখতে পারে। তাঁর মতে, যুদ্ধের ফলাফলের সঙ্গে জার্মানির নিরাপত্তাও জড়িত। তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই ইউক্রেনকে সহায়তা করা হচ্ছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া তুলনামূলক কম খরচের দ্রুতগতির ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে। এসব ড্রোনের অনেকগুলোই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে।
অন্যদিকে পাল্টা হামলা চালিয়ে রাশিয়ার শিল্পাঞ্চল ও তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করছে ইউক্রেন। রাশিয়াকে ‘শিক্ষা দিতে’ চলতি সপ্তাহে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে কিয়েভ।