ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবার কন্ডাক্টরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সাধারণ যাত্রীদের চমকে দিয়েছেন। বাসে উঠে নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে ভ্রমণের টিকিট তুলে দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে সময় কাটিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের আওতা ও পরিধি সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক সূচনাকালে এ ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়।
বাসে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। এ সময় নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে ভ্রমণের পাস তুলে দেন তিনি। বাসে থাকা কয়েকজন কলেজ শিক্ষার্থী মুখ্যমন্ত্রীকে চকোলেট উপহার দিলে তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেও দেখা যায় তাকে। তার এমন উপস্থিতিতে বাসের ভেতর তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
তামিলনাড়ু সরকারের ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের গণপরিবহনে যাতায়াত সহজ করা এবং তাদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা বাড়াতে সহায়তা করা। প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে এখন রাজ্যের সাতটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে থাকা ১২ হাজার ৬৯৫টি বাসে সুবিধাভোগীরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
এর আগে নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ সিটি বাসে এ সুবিধা পাওয়া যেত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এক্সপ্রেস, ডিলাক্স, মফস্বলের সাধারণ বাস এবং পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট রুটের বাসেও বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা যুক্ত হয়েছে।
রাজ্য সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে প্রতিদিন প্রায় ৮৪ লাখ ৩২ হাজার নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তি উপকৃত হবেন।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মিশে যাওয়ার এমন ঘটনা বিজয়ের জন্য অবশ্য নতুন নয়। এর আগে সচিবালয় থেকে পেরাম্বুর পর্যন্ত সাধারণ সরকারি বাসে যাতায়াত করেছিলেন তিনি। মেত্তুর সফরের সময় রাস্তার পাশে একটি খামারবাড়িতে গাড়ি থামিয়ে বয়স্কদের সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনাও আলোচনায় এসেছিল।
জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এমন উদ্যোগের কারণে ফের আলোচনায় এসেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের আওতা ও পরিধি সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক সূচনাকালে এ ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়।
বাসে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। এ সময় নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে ভ্রমণের পাস তুলে দেন তিনি। বাসে থাকা কয়েকজন কলেজ শিক্ষার্থী মুখ্যমন্ত্রীকে চকোলেট উপহার দিলে তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেও দেখা যায় তাকে। তার এমন উপস্থিতিতে বাসের ভেতর তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
তামিলনাড়ু সরকারের ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের গণপরিবহনে যাতায়াত সহজ করা এবং তাদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা বাড়াতে সহায়তা করা। প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে এখন রাজ্যের সাতটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে থাকা ১২ হাজার ৬৯৫টি বাসে সুবিধাভোগীরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
এর আগে নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ সিটি বাসে এ সুবিধা পাওয়া যেত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এক্সপ্রেস, ডিলাক্স, মফস্বলের সাধারণ বাস এবং পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট রুটের বাসেও বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা যুক্ত হয়েছে।
রাজ্য সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে প্রতিদিন প্রায় ৮৪ লাখ ৩২ হাজার নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তি উপকৃত হবেন।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মিশে যাওয়ার এমন ঘটনা বিজয়ের জন্য অবশ্য নতুন নয়। এর আগে সচিবালয় থেকে পেরাম্বুর পর্যন্ত সাধারণ সরকারি বাসে যাতায়াত করেছিলেন তিনি। মেত্তুর সফরের সময় রাস্তার পাশে একটি খামারবাড়িতে গাড়ি থামিয়ে বয়স্কদের সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনাও আলোচনায় এসেছিল।
জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এমন উদ্যোগের কারণে ফের আলোচনায় এসেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়।