নওগাঁর ধামইরহাটে জমির করলা গাছ তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম (৪২) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ও দুই ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রনির (৩৫) সঙ্গে আবুল কাশেমের জমির করলা গাছ তোলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে রনির লোকজন পেছন থেকে ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমের কোমরের ওপরের অংশে সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে মো. সাইদ (২২) এবং দুই ভাই মুক্তার আলী (৫০) ও বদর উদ্দিন (৫৫) গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবুল কাশেম মারা যান। আহত সাইদ, মুক্তার আলী ও বদর উদ্দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রনির (৩৫) সঙ্গে আবুল কাশেমের জমির করলা গাছ তোলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে রনির লোকজন পেছন থেকে ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমের কোমরের ওপরের অংশে সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে মো. সাইদ (২২) এবং দুই ভাই মুক্তার আলী (৫০) ও বদর উদ্দিন (৫৫) গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবুল কাশেম মারা যান। আহত সাইদ, মুক্তার আলী ও বদর উদ্দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।